নিউইয়র্ক     বুধবার, ১৫ই মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ  | ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইরানের হাজারো কারাবন্দিকে ক্ষমা ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ০৪:১৭ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ০৪:১৭ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
ইরানের হাজারো কারাবন্দিকে ক্ষমা ঘোষণা

ইরানের হাজারো বন্দিকে ক্ষমা ঘোষণা করেছেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। যারা সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তারাও ক্ষমা পাবেন বলে জানায় দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। তবে ওই ক্ষমা নিঃশর্ত নয়। বরং ক্ষমা পেতে হলে কিছু শর্ত মেনে চলতে হবে। ইরানের প্রেস টিভির তথ্য অনুযায়ী, বিদেশিদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি, বিদেশি গোয়েন্দাদের সরাসরি সহযোগিতা, ইচ্ছাকৃত খুন ও কাউকে আহত করা, রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি ও লুটপাটের অভিযোগ এবং কারও বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত মামলা না থাকলে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের ক্ষমা করা হচ্ছে।

১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এ ক্ষমা ঘোষণা করা হয়। ইরানের মানবাধিকারকর্মীদের প্রতিষ্ঠা করা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সির (এইচআরএএনএ) তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বরে দেশটির নীতি পুলিশের হেফাজতে কুর্দি তরুণী মাসা আমিনির মৃত্যুর পর দেশজুড়ে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। এরপর ২০ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারদের মধ্যে কয়েকজনকে নানা অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে অন্তত পাঁচজনের ফাঁসি কার্যকরও হয়েছে।

ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত করতে ইরানের বিচার বিভাগীয় প্রধান গোলাম হোসেন মোহসেনি-এজেই বন্দিদের ক্ষমা বা শাস্তি কমিয়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন। তার অনুরোধে সাড়া দিয়ে হাজারো বন্দিকে ক্ষমা ঘোষণা করেন খামেনি। বিচার বিভাগের প্রধানের কাছ থেকে একটি চিঠি পাওয়ার পর আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সর্বশেষ এই ক্ষমার সিদ্ধান্ত নেন। তাদের অনেকে এখন অনুতপ্ত হয়েছেন এবং ক্ষমা ভিক্ষা করছেন বলে ওই চিঠিতে দাবি করা হয়। ইরানের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১০ অনুযায়ী, বিচার বিভাগের পরামর্শক্রমে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা যে কাউকে ক্ষমা করার অধিকার রাখেন। সূত্র : রয়টার্স

শেয়ার করুন