ওয়াশিংটন ডিসি ও এর আশেপাশে ছড়িয়ে থাকা এল সালভাদরের বংশোদ্ভূত কর্মীরা মার্কিন ক্যাপিটল হিল, পেন্টাগন এবং আর্লিংটন জাতীয় সমাধিক্ষেত্র সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের কাজে সাহায্য করেছেন। ফ্লোরিডা, ম্যাসাচুসেটস এবং নিউ ইয়র্কের বৃদ্ধাশ্রমগুলোতে হাইতিয়ান সেবাকর্মীরা প্রবীণ মার্কিনিদের দৈনন্দিন কাজে সাহায্য করে আসছেন।
দশক পুরোনো একটি মানবিক কর্মসূচির অধীনে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস ও কাজ করার অনুমতি পাওয়া ১০ লাখেরও বেশি মানুষের মধ্যে রয়েছেন এই কর্মীরা, যারা এখন নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর (ডিপোর্টেশন) আশঙ্কার মুখোমুখি হয়েছেন।
গত মাসে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনকে মানবিক সহায়তার এই ‘টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস’ (টিপিএস) কর্মসূচি বন্ধ করার সবুজ সংকেত দেয়। এর ফলে মার্কিন শিল্প খাতগুলো এখন তাদের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কর্মীদের হারানোর আশঙ্কায় প্রহর গুনছে।
পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, টিপিএস সুবিধাভোগীদের প্রায় ৭০ শতাংশই মার্কিন শ্রমশক্তিতে যুক্ত আছেন, যাদের একটি বড় অংশ নির্মাণ ও স্বাস্থ্যসেবা খাতে কর্মরত।
কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর আগামী সোমবার প্রথম ধাক্কাতেই হাইতি এবং আরও কয়েকটি দেশের প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টিপিএস গ্রহীতা তাদের কাজের অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট) হারাবেন। এরপর আগামী সেপ্টেম্বরে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর এল সালভাদরের প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার সুবিধাভোগী তাদের এই আইনি মর্যাদা হারাতে পারেন।
অরাজনৈতিক গবেষণা সংস্থা ‘পেন ওয়ার্টন বাজেট মডেল’-এর নীতি বিশ্লেষণ পরিচালক আলেকজান্ডার আরনন বলেন, ‘নির্দিষ্ট কিছু স্থান এবং সুনির্দিষ্ট কিছু শিল্প খাতের জন্য আইনিভাবে কাজ করার ক্ষমতা হারানো হাজার হাজার কর্মীর এই অভাব একটি বড় ধাক্কা হতে যাচ্ছে।’
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, কর্মীদের এই চলে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি হয়তো ধীরে ধীরে ঘটবে, কারণ কেউ কেউ রাজনৈতিক আশ্রয়ের (অ্যাসাইলাম) মতো বিকল্প সুরক্ষার চেষ্টা করবেন এবং অন্যরা হয়তো কাগজপত্র ছাড়াই গোপনে কাজ চালিয়ে যাবেন।
টিপিএস-এর মেয়াদ ফুরিয়ে আসার সাথে সাথে ইউএস চেম্বার অব কমার্সের নেতৃত্বে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো ক্যাপিটল হিলে টিপিএস বহাল রাখার জন্য জোর তৎপরতা শুরু করেছে। এই উদ্যোগে উভয় দলের ক্রমবর্ধমান সংখ্যক রাজ্য ও স্থানীয় নেতারাও যোগ দিয়েছেন।
সিনেটের নেতৃত্বের কাছে পাঠানো ১০ জুলাইয়ের এক চিঠিতে চেম্বার লিখেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীবাহিনীতে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে এবং একটি অপ্রয়োজনীয় মানবিক সংকট এড়াতে কংগ্রেস অভিবাসন নীতির ওপর তার পূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে এবং তা করা উচিত।’
রাজ্য ও স্থানীয় নেতারাও এই উদ্বেগের সাথে একমত প্রকাশ করছেন। ওহাইও রাজ্যের রিপাবলিকান গভর্নর মাইক ডিওয়াইন হাইতিয়ানদের জন্য টিপিএস শেষ করাকে একটি ‘ভুল’ বলে অভিহিত করেছেন এবং তার রাজ্যের জন্য বড় অর্থনৈতিক ক্ষতির পূর্বাভাস দিয়েছেন।
দক্ষিণ ফ্লোরিডায়, যেখানে সবচেয়ে বেশি হাইতিয়ান বাস করেন, মিয়ামি-ডেড কাউন্টির মেয়র ড্যানিয়েলা লেভন কাভা এবং কমিশনার মার্লিন বাস্তিন গত বুধবার ব্যবসায়িক নেতাদের সাথে সম্ভাব্য বিপর্যয় নিয়ে আলোচনা করতে সমবেত হন। এক সংবাদ সম্মেলনে বাস্তিন বলেন, ‘টিপিএস বন্ধ করা আমেরিকার অর্থ বাঁচায় না। বরং টিপিএস বন্ধ করার ফলে আমেরিকার বড় আর্থিক ক্ষতি হবে।’
তবে গত বুধবার বিকেলে মিসৌরির রিপাবলিকান সিনেটর এরিক শ্মিট হাইতিয়ানদের টিপিএস বাড়ানোর জন্য ডেমোক্র্যাটদের একটি দ্রুততম আইনি প্রক্রিয়া আটকে দেন এবং এই কর্মসূচিকে স্থায়ী রূপ দেওয়ার সমালোচনা করেন। সিনেটের ফ্লোরে দাঁড়িয়ে শ্মিট বলেন, ‘টিপিএস মূলত জরুরি অবস্থার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা এটিকে স্থায়ী গণ-অভিবাসন তৈরির একটি সহজ হাতিয়ারে পরিণত করেছে।’
১৯৯০ সালে কংগ্রেস কর্তৃক অনুমোদিত এবং প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশের স্বাক্ষরিত এই টিপিএস আইনের লক্ষ্য ছিল সশস্ত্র সংঘাত বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নিজ দেশে নিরাপদে ফিরতে না পারা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের সাময়িক সুরক্ষা দেওয়া। কিন্তু কিছু দেশ বছরের পর বছর ধরে মানবিক সংকটে নিমজ্জিত থাকায়, এই টিপিএস সুবিধা বিদেশি নাগরিকদের জন্য প্রায় অনির্দিষ্টকালের স্থায়ী সুরক্ষায় পরিণত হয়েছে। দশকের পর দশক ধরে আধুনিক অভিবাসন আইন প্রণয়নে কংগ্রেসের ঐকমত্যে পৌঁছাতে না পারার কারণে, টিপিএস এবং অ্যাসাইলামের মতো মানবিক সুরক্ষাই যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘমেয়াদি বা স্থায়ী বসবাসের অলিখিত পথ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এর ফলে টিপিএস অভিবাসন ব্যবস্থার সমালোচকদের মূল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি তার প্রথম মেয়াদ থেকেই এটি বন্ধ করাকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসছিলেন। গত বছর হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর তিনি এই কর্মসূচি বন্ধের তোড়জোড় শুরু করেন এবং এক বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশজুড়ে আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে কার্যনির্বাহী শাখাকে টিপিএস বাতিল করার অনুমতি এনে দেন।
বছরের পর বছর ধরে যেসব কোম্পানি ও শিল্প প্রতিষ্ঠান বিপুল সংখ্যক টিপিএস গ্রহীতাদের নিয়োগ দিয়েছিল, তারা এই কর্মীদের বেশ প্রশংসা করত। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন এই সুরক্ষা বাতিল করার তৎপরতা জোরদার করার পর, অনেক কোম্পানি এ নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করে এবং কেবল ট্রেড গ্রুপগুলোর ওপরই এই দাবি জানানোর দায় ছেড়ে দেয়।
বিল্ডার্স অ্যান্ড কন্ট্রাক্টরস অ্যাসোসিয়েশন নামের একটি নির্মাণ শিল্প গোষ্ঠী সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র দপ্তরে একটি চিঠি পাঠিয়েছে এবং টিপিএস বন্ধের ফলে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেছে।
এক বিবৃতিতে ট্রাম্প প্রশাসন এই সুরক্ষা বন্ধের প্রচেক্ষাকে সমর্থন করেছে। ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসের মুখপাত্র জ্যাক কাহলার বলেন, ‘ডিএইচএস আইনের শাসন সমুন্নত রাখছে এবং সাধারণ নিয়মে ফিরে যাচ্ছে।’
যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে কাজ করা ব্যক্তিদের নিয়োগ দিলে নিয়োগকর্তারা চড়া জরিমানা ও অনথিভুক্ত মানুষকে আশ্রয় দেওয়ার ফৌজদারি অপরাধের মুখোমুখি হতে পারেন।
টিপিএস সুবিধাভোগীদের এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা দেশেই থেকে যাবেন নাকি চলে যাবেন। সরকারের কাছে তাদের ঠিকানা থাকায় ফেডারেল এজেন্টদের জন্য তাদের খুঁজে বের করা অত্যন্ত সহজ হবে।
সরকার লোকজনকে জিনিসপত্র গুছিয়ে চলে যাওয়ার জন্য কতটা সময় দেবে তা স্পষ্ট নয়। সেন্ট্রাল আমেরিকার নাগরিকদের নিয়ে কাজ করা ওয়াশিংটনভিত্তিক সংগঠন ক্যারেসেন-এর নির্বাহী পরিচালক আবেল নুনিয়েজ বলেন, অনেকেরই বাড়িঘর, গাড়ি এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে।
নুনিয়েজ বলেন, ‘আপনি তো আর পকেটে করে আপনার বাড়ি বা গাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন না।’
টিপিএস-এর সুবাদে কনসেপসিয়ন মোরালেস নামের এক ব্যক্তি নেভাল একাডেমি এবং ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে ২২ বছর ধরে কাজ করেছেন।
এল সালভাদর থেকে ২৩ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ৫০ বছর বয়সী মোরালেস বলেন, ‘আপনি যেকোনো সরকারি ভবনে প্রবেশ করলে নিশ্চিত থাকতে পারেন যে সেখানে কোনো না কোনো টিপিএস কর্মী কাজ করেছেন।’ মোরালেস চার বছর আগে তার এক প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন সন্তানের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পেতে সক্ষম হন। কিন্তু নিয়মানুযায়ী, টিপিএস সরাসরি গ্রিন কার্ড পাওয়ার সুযোগ দেয় না এবং এর বেশিরভাগ গ্রহীতাই এখন নির্বাসনের ঝুঁকিতে পড়বেন।
কর্নেল ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্যাট্রিসিয়া ক্যাম্পোস-মেদিনা, যিনি সম্প্রতি সেন্ট্রাল আমেরিকান টিপিএস গ্রহীতাদের নিয়ে একটি গবেষণা সম্পন্ন করেছেন, তিনি বলেন, ‘তারা তাদের জীবনের সবচেয়ে উৎপাদনশীল সময়গুলো এই দেশের পেছনে উৎসর্গ করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি কেবল তাঁদের নিজ দেশে ফিরে যেতে পারার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটিই এখন তাঁদের ঘরবাড়ি। তাদের বেশিরভাগই পূর্ণকালীন চাকরিতে আছেন, তাদের সন্তানরা আমেরিকায় জন্মেছে, তাঁদের নিজেদের বাড়িঘর ও ব্যবসা রয়েছে।’
রক্ষণশীল হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের লবিং শাখা ‘হেরিটেজ অ্যাকশন’-এর সরকারি সম্পর্ক বিষয়ক পরিচালক ড্যানিয়েল ওয়েস্ট এই কর্মসূচির তীব্র সমালোচনা করেছেন এবং যারা টিপিএস বজায় রাখতে চান তাঁদেরও সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘পদ্ধতিগতভাবে টিপিএস কর্মসূচিটির মেয়াদ ফুরিয়ে যেতে দেওয়া নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ সঠিক।’
সেপ্টেম্বরে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া এল সালভাদরের টিপিএস বন্ধের কোনো পরিকল্পনা প্রশাসন এখনো ঘোষণা করেনি। তবে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে এমন চেষ্টা করা হয়েছিল।
ইতিমধ্যে প্রশাসন ঘোষণা করেছে যে তারা ইথিওপিয়া, মিয়ানমার, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, সিরিয়া এবং ইয়েমেনসহ বর্তমানে সুরক্ষার আওতায় থাকা বেশিরভাগ দেশের নাগরিকদের টিপিএস বাতিল করবে। নিয়োগকর্তাদের ইতিমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে এই দেশগুলোর টিপিএস গ্রহীতাদের কাজের অনুমতি আর বৈধ থাকবে না। অবশ্য এল সালভাদর, লেবানন, সুদান এবং ইউক্রেনের টিপিএস গ্রহীতারা এখনো কাজের অনুমোদন পাচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে প্রতি মাসে হাইতিতে একটি করে ডিপোর্টেশন বা নির্বাসন ফ্লাইট পাঠাচ্ছে। গত ১৬ জুলাই হাইতির উত্তরাঞ্চলীয় শহর ক্যাপ হাইতিয়েনে সর্বশেষ নির্বাসন বিমানটি ১০০ জনেরও বেশি নির্বাসিত মানুষকে নিয়ে অবতরণ করে। এই ফ্লাইটের সংখ্যা আরও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ট্রাম্পের অভিবাসন এজেন্ডার অন্যতম রূপকার স্টিফেন মিলারের কাছে টিপিএস রায়ের পর জানতে চাওয়া হয়েছিল যে হাইতি কি আদৌ নিরাপদ কি না।
মিলার বলেন, ‘হাইতিয়ানদের জন্য? অবশ্যই। হাইতিয়ানরা হাইতিতেই বাস করে। হাইতিয়ানরা হাইতি ছেড়ে চলে যাবে—এমন অবস্থান আমাদের নয়। আমাদের জন্য এটা বলা পাগলামি হবে যে হাইতিয়ানরা হাইতিতে বাস করতে পারবে না। এটি তাদের দেশ।’
২০২১ সালে সর্বশেষ নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার পর থেকেই হাইতিতে তীব্র সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। রাজধানী পোর্ট-অব-প্রিন্সের বিশাল অংশ গ্যাং বা অপরাধী চক্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যারা বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা, অপহরণ ও হত্যা চালাচ্ছে। এর ফলে দেশটির ১০ লাখেরও বেশি মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। দেশের অর্থনীতি সম্পূর্ণ ধ্বংসের মুখে এবং আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলো চরম খাদ্য সংকটের কথা জানাচ্ছে।
এক সাক্ষাৎকারে ফ্লোরিডায় নার্স হিসেবে কর্মরত এক হাইতিয়ান নারী (যিনি ২০১০ সালে হাইতিকে টিপিএস তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার পর থেকে এই সুবিধা পেয়ে আসছিলেন) বলেন, তিনি এমন একটি দেশে ফিরে যেতে বাধ্য হওয়ার ভয়ে আছেন যেখানে তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বসবাস করেননি এবং যেখানে তার কোনো পরিবারও নেই।
আমেরিকায় জন্ম নেওয়া এক শিশু সন্তানের এই মা নিজের পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, ‘এই উদ্বেগ ও মানসিক কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’ কারণ তার ভয়, অভিবাসন বিভাগের কর্মকর্তারা তাকে লক্ষ্যবস্তু বানাতে পারেন। – সংবাদসুত্র নিউ ইয়র্ক টাইমস















