২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র

পরের ভোটে রিপাবলিকানদের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কে? নিজের সম্ভাব্য দুই উত্তরসূরির নাম বলে দিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

পরের ভোটে রিপাবলিকানদের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী কে? নিজের সম্ভাব্য দুই উত্তরসূরির নাম বলে দিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প

আগামী ৩ নভেম্বর আমেরিকায় মধ্যবর্তী (মিড-টার্ম) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আপাতত তারই প্রচারে ব্যস্ত ট্রাম্প। প্রচারপর্বের মধ্যেই রবিবার একটি সাক্ষাৎকারে তিনি উত্তরসূরির নাম জানান।

২০২৮ সালে আমেরিকায় আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। তাতে রিপাবলিকানদের হয়ে কে লড়বেন? ডোনাল্ড ট্রাম্পের উত্তরসূরির দৌড়ে এগিয়ে কারা? নিজেই তাঁদের নাম বলে দিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট। তবে এ-ও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ২০২৮ সালের নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে ভাবার সঠিক সময় এটা নয়। আরও অনেক সময় পড়ে আছে। তাতে পরিস্থিতিও বদলে যেতে পারে আমূল।

আগামী ৩ নভেম্বর আমেরিকায় মধ্যবর্তী (মিড-টার্ম) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আপাতত তারই প্রচারে ব্যস্ত ট্রাম্প। বিভিন্ন স্টেটে ঘুরে ঘুরে তিনি জনসভা করছেন। যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের আধিপত্য থাকবে কি না, আমেরিকার এই নির্বাচনের ফলাফলের উপর তা নির্ভর করছে। প্রচারপর্বের মধ্যেই রবিবার (২৫ অক্টোবর) একটি সাক্ষাৎকারে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, রিপাবলিকানদের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর ‘বেঞ্চ’ খুব শক্তিশালী। অর্থাৎ, শক্তিশালী প্রার্থীরাই লাইনে আছেন। তাই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী নিয়ে বড় একটা সমস্যায় পড়তে হবে না তাঁর দলকে।

রিপাবলিকান পার্টিতে নিজের উত্তরসূরি হিসেবে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স এবং আমেরিকার বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়োর নাম করেছেন ট্রাম্প। বলেছেন, ‘‘আমার যা মনে হয় আমি বলতেই পারি। কিন্তু এত আগে কিছু বলার মানে হয় না। আমাদের হাতে দারুণ দারুণ কিছু নাম আছে। জেডি ভান্স, মার্কো রুবিয়ো এবং আরও অনেকে রয়েছেন। আমাদের বেঞ্চ খুব ভাল। ওদের (প্রতিপক্ষ ডেমোক্র্যাট) বেঞ্চই নেই।’’ বস্তুত, ট্রাম্প ক্ষমতায় থাকাকালীনই রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে তাঁর উত্তরসূরি নিয়ে যে নীরব প্রতিযোগিতার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য থেকেই তার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ২০২৮ সালে ট্রাম্পই আবার প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে ভোটে লড়বেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অনেকের মতে, সেই জল্পনাতেও কার্যত ইতি টেনে দিল প্রেসিডেন্টের বক্তব্য।

ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর আমেরিকায় অভিবাসন নীতি কঠোর হয়েছে। ইজ়রায়েল এবং আমেরিকার যৌথ বাহিনী ইরান আক্রমণ করার পর পশ্চিম এশিয়ায় তৈরি হয়েছে যুদ্ধের পরিস্থিতি। তার প্রভাবে সারা বিশ্বে জ্বালানির দাম বেড়েছে। আমেরিকাতেও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম ঊর্ধ্বমুখী। তা নিয়ে ট্রাম্পের উপর কোথাও কোথাও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। মধ্যবর্তী নির্বাচনে তার প্রভাব পড়বে কি না, সেটাই দেখার। – সংবাদ সুত্র আনন্দবাজার পত্রিকা