প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প পারমাণবিক অস্ত্রধারীদেশগুলো– বিশেষ করে উত্তর কোরিয়ার সাথে তারসম্পর্কের বিষয়টি তুলে ধরেছেন। একই সময়ে উত্তরকোরিয়ার (ডিপিআরকে) সাথে কূটনৈতিকভাবেআলোচনার বিষয়ে নিজেদের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্তকরেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।
সম্প্রতি ওহাইওতে ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনেরপ্রচারণামূলক এক সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় ট্রাম্পবলেন, উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তার‘খুব ভালো সম্পর্ক’ এবং প্রধান পারমাণবিক শক্তিধরদেশগুলোর সঙ্গে সেই সম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্পের ভাষ্য, ‘মানুষের হাতে যখন ১১২টিপারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকে, তখন একে অপরেরসাথে মিলেমিশে থাকাটাই ভালো’। তবে তিনিক্ষেপণাস্ত্রের এই সংখ্যার বিষয়ে বিস্তারিত কোনোতথ্য দেননি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগে আগস্ট মাসে বলেছিলেন, কিমেরকাছে ৫৭টি ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ পারমাণবিক অস্ত্ররয়েছে; এমন একটি সংখ্যা যা স্বাধীন হিসাব-নিকাশেরসাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটচলতি বছরের শুরুর দিকে এক প্রাক্কলনেজানিয়েছিল, উত্তর কোরিয়ার কাছে প্রায় ৬০টিপারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে; অথচ তাদের ২০২৪ও ২০২৫ সালের মূল্যায়নে এই সংখ্যাটি ছিল প্রায়৫০।
সংস্থাটির তথ্যানুসারে, জানুয়ারি মাস নাগাদ উত্তরকোরিয়ার কাছে অন্তত ৯০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডবা যুদ্ধাস্ত্র তৈরির মতো পর্যাপ্ত ফিসাইল মেটেরিয়াল বাবিভাজনযোগ্য পদার্থ ছিল। সূত্র: এনকে নিউজ



















