২রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশে তৈরি হোন্ডা এনএক্স২০০ যাচ্ছে মেক্সিকোতে

বাংলাদেশে উৎপাদিত হোন্ডা এনএক্স২০০ মোটরসাইকেল এবার রপ্তানি হচ্ছে মেক্সিকোতে। জাপানের হোন্ডা মোটর কোম্পানি লিমিটেড ও বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের (বিএসইসি) যৌথ উদ্যোগ বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড (বিএইচপিএল) মেক্সিকোতে মোটরসাইকেল রপ্তানি শুরুর ঘোষণা দিয়েছে। এর মাধ্যমে কোম্পানিটি বৈশ্বিক বাজারে তাদের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করল।

এর আগে গুয়াতেমালায় সফলভাবে হোন্ডা মোটরসাইকেল রপ্তানি হয়। কোম্পানির ভাষ্য, এটি আন্তর্জাতিক বাজারে হোন্ডার বৈশ্বিক মানসম্পন্ন মোটরসাইকেল সরবরাহের প্রতিশ্রুতিরই ধারাবাহিকতা। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান বলেন, ‘সরকার উৎপাদন, রপ্তানি ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে। মেক্সিকোতে বাংলাদেশ হোন্ডার রপ্তানি দেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুসুমু মরিসাওয়া বলেন, ‘মেক্সিকোতে রপ্তানি সম্প্রসারণ হোন্ডার উৎপাদন সক্ষমতা, গুণগত মান এবং কর্মীদের নিবেদিত প্রচেষ্টার প্রতিফলন। গুয়াতেমালার পর মেক্সিকোতেও রপ্তানি শুরু করতে পেরে প্রতিষ্ঠানটি গর্বিত। পাশাপাশি স্থানীয় উৎস থেকে যন্ত্রাংশ সংগ্রহ বৃদ্ধি, উৎপাদন প্রতিযোগিতা শক্তিশালী করা এবং নতুন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের লক্ষ্যে কাজ অব্যাহত থাকবে।’
প্রতিষ্ঠানটির চিফ মার্কেটিং অফিসার শাহ মুহাম্মদ আশেকুর রহমান বলেন, ‘মেক্সিকোতে এনএক্স২০০ রপ্তানি বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা ও হোন্ডার বৈশ্বিক মানের স্বীকৃতি। দেশীয় বাজারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি এই উদ্যোগ রপ্তানি বহুমুখীকরণ, শিল্পায়ন, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।’ প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ সরকার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), ডিউটি এক্সেম্পশন অ্যান্ড ড্রব্যাক অফিস (ডিইডিও), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা), শুল্ক কর্তৃপক্ষ, ব্যাংকিং অংশীদার, সরবরাহকারী, ডিলার এবং সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের প্রতি সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।

বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড জানায়, ভবিষ্যতেও নতুন আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের রফতানি বহুমুখীকরণ ও টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে তারা কাজ করে যাবে।