৩০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলেও পাওয়া যেতে পারে গ্রিন কার্ড, তবে মানতে হবে কয়েকটি শর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলেও পাওয়া যেতে পারে গ্রিন কার্ড, তবে মানতে হবে কয়েকটি শর্ত

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলেও গ্রিন কার্ডের সুযোগ, তবে বিয়ে, পুনর্বিবাহ ও আবেদনের সময়সীমার শর্ত মানতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলেও জীবিত স্বামী বা স্ত্রী নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করলে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। এ জন্য সাধারণ পারিবারিক ভিসার পরিবর্তে বিশেষ একটি অভিবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থার (ইউএসসিআইএস) নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য ব্যক্তি নিজেই ফর্ম আই-৩৬০ জমা দিতে পারেন। এই সুবিধাটি মূলত সেইসব মানুষের জন্য, যাদের স্বামী বা স্ত্রী জীবিত অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন এবং মৃত্যুর পর তারা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ নিতে চান।

এ বিষয়ে একটি ভুল তথ্য অনেক জায়গায় দেখা যায় যে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে অন্তত দুই বছর বিবাহিত থাকতেই হবে। তবে বর্তমান আইনে এই দুই বছরের বৈবাহিক শর্ত আর নেই। ২০০৯ সালের আইন পরিবর্তনের মাধ্যমে বিধবা বা বিপত্নীক স্বামী-স্ত্রীর গ্রিন কার্ডের ক্ষেত্রে আগের দুই বছরের বিবাহের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়। তবে যেকোনো বিয়ের পর স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলেই গ্রিন কার্ড নিশ্চিত হবে না। বিয়েটি বৈধ হতে হবে এবং অন্যান্য যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলেও জীবিত স্বামী বা স্ত্রী নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ করলে যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারেন। এ জন্য সাধারণ পারিবারিক ভিসার পরিবর্তে বিশেষ একটি অভিবাসন ব্যবস্থা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সেবা সংস্থার (ইউএসসিআইএস) নিয়ম অনুযায়ী, যোগ্য ব্যক্তি নিজেই ফর্ম আই-৩৬০ জমা দিতে পারেন।

এই সুবিধাটি মূলত সেইসব মানুষের জন্য, যাদের স্বামী বা স্ত্রী জীবিত অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন এবং মৃত্যুর পর তারা যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ নিতে চান। এ বিষয়ে একটি ভুল তথ্য অনেক জায়গায় দেখা যায় মার্কিন নাগরিক স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে অন্তত দুই বছর বিবাহিত থাকতেই হবে। তবে বর্তমান আইনে এই দুই বছরের বৈবাহিক শর্ত আর নেই। ২০০৯ সালের আইন পরিবর্তনের মাধ্যমে বিধবা বা বিপত্নীক স্বামী-স্ত্রীর গ্রিন কার্ডের ক্ষেত্রে আগের দুই বছরের বিবাহের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া হয়। তবে যেকোনো বিয়ের পর স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলেই গ্রিন কার্ড নিশ্চিত হবে না। বিয়েটি বৈধ হতে হবে এবং অন্যান্য অভিবাসন বিধিমালার শর্তও পূরণ করতে হবে।

ইউএসসিআইএসের বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণভাবে আবেদনকারীকে মৃত ব্যক্তির বৈধ স্বামী বা স্ত্রী হতে হবে। মৃত্যুর সময় মৃত স্বামী বা স্ত্রীকে যুক্তরাষ্ট্রেরশনাগরিক হতে হবে। মৃত্যুর সময় দুজন আইনগতভাবে বিবাহিত ছিলেন কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পুনর্বিবাহ। মৃত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকের স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে এই বিশেষ সুবিধা নিতে চাইলে আবেদন করার আগে অন্য কাউকে বিয়ে করলে যোগ্যতা নষ্ট হতে পারে। ইউএসসিআইএসের নির্দেশনায় পুনর্বিবাহের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।আবেদন করার সময়সীমাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মৃত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যুর তারিখ থেকে দুই বছরের মধ্যে ফর্ম আই-৩৬০ জমা দিতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে এই বিশেষ ব্যবস্থার সুবিধা হারানোর ঝুঁকি রয়েছে।

আবেদনের সঙ্গে সাধারণত বৈধ বিবাহের প্রমাণ, মৃত স্বামী বা স্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং মৃত্যুসনদ জমা দিতে হয়। আগের কোনো বিয়ে থাকলে সেটি আইনগতভাবে শেষ হওয়ার প্রমাণও প্রয়োজন হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকাকালে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রীর জন্য ফর্ম আই-১৩০ জমা দিয়ে থাকলে বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে মৃত্যুর সময় আই-১৩০ আবেদনটি বিচারাধীন বা অনুমোদিত থাকলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিধবা বা বিপত্নীক স্বামী-স্ত্রীর আই-৩৬০ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকলেও এই বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিন কার্ডের প্রক্রিয়া চালানোর সুযোগ থাকতে পারে। আই-৩৬০ অনুমোদনের পর প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অভিবাসী ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হতে পারে। আর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত যোগ্য আবেদনকারীর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাওয়ার জন্য অ্যাডজাস্টমেন্ট অফ স্ট্যাটাস বা ফর্ম আই-৪৮৫ জমা দেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।

যোগ্য বিধবা বা বিপত্নীক স্বামী বা স্ত্রীর সন্তানদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অভিবাসনের সুযোগ থাকতে পারে। তবে সন্তানের বয়স, বৈবাহিক অবস্থা এবং অন্যান্য যোগ্যতার ওপর বিষয়টি নির্ভর করে।তবে এই বিশেষ ব্যবস্থায় আবেদন করার সুযোগ থাকা মানেই গ্রিন কার্ড নিশ্চিত নয়।

ইউএসসিআইএস আবেদনকারীর বৈবাহিক সম্পর্ক, মৃত স্বামী বা স্ত্রীর নাগরিকত্ব, পুনর্বিবাহের অবস্থা এবং অন্যান্য অভিবাসন-সংক্রান্ত যোগ্যতা যাচাই করে। এ ছাড়া আবেদনকারীকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনের অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হতে পারে। আগের অভিবাসন ইতিহাস বা কোনো আইনগত সমস্যা থাকলে আবেদন প্রভাবিত হতে পারে।

তাই যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নাগরিক একশ স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলে যোগ্য ব্যক্তির জন্য বিষয়টি দ্রুত যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মৃত্যুর পর দুই বছরের আবেদনসীমা এবং পুনর্বিবাহের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজন হলে অভিবাসন আইনজীবী বা অনুমোদিত অভিবাসন প্রতিনিধির পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।

শর্তও পূরণ করতে হবে।

ইউএসসিআইএসের বর্তমান নির্দেশনা অনুযায়ী, সাধারণভাবে আবেদনকারীকে মৃত ব্যক্তির বৈধ স্বামী বা স্ত্রী হতে হবে। মৃত্যুর সময় মৃত স্বামী বা স্ত্রীকে মার্কিন নাগরিক হতে হবে। মৃত্যুর সময় দুজন আইনগতভাবে বিবাহিত ছিলেন কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পুনর্বিবাহ। যুক্তরাষ্ট্রের মৃত নাগরিকের স্বামী বা স্ত্রী হিসেবে এই বিশেষ সুবিধা নিতে চাইলে আবেদন করার আগে অন্য কাউকে বিয়ে করলে যোগ্যতা নষ্ট হতে পারে। ইউএসসিআইএসের নির্দেশনায় পুনর্বিবাহের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।আবেদন করার সময়সীমাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মৃত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক স্বামী বা স্ত্রীর মৃত্যুর তারিখ থেকে দুই বছরের মধ্যে ফর্ম আই-৩৬০ জমা দিতে হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করলে এই বিশেষ ব্যবস্থার সুবিধা হারানোর ঝুঁকি রয়েছে।

আবেদনের সঙ্গে সাধারণত বৈধ বিবাহের প্রমাণ, মৃত স্বামী বা স্ত্রীর মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং মৃত্যুসনদ জমা দিতে হয়। আগের কোনো বিয়ে থাকলে সেটি আইনগতভাবে শেষ হওয়ার প্রমাণও প্রয়োজন হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক স্বামী বা স্ত্রী জীবিত থাকাকালে বিদেশি স্বামী বা স্ত্রীর জন্য ফর্ম আই-১৩০ জমা দিয়ে থাকলে বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে মৃত্যুর সময় আই-১৩০ আবেদনটি বিচারাধীন বা অনুমোদিত থাকলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিধবা বা বিপত্নীক স্বামী-স্ত্রীর আই-৩৬০ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থাকলেও এই বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিন কার্ডের প্রক্রিয়া চালানোর সুযোগ থাকতে পারে। আই-৩৬০ অনুমোদনের পর প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অভিবাসী ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হতে পারে। আর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত যোগ্য আবেদনকারীর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পাওয়ার জন্য ফর্ম আই-৪৮৫ জমা দেওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।

যোগ্য বিধবা বা বিপত্নীক স্বামী বা স্ত্রীর সন্তানদের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে অভিবাসনের সুযোগ থাকতে পারে। তবে সন্তানের বয়স, বৈবাহিক অবস্থা এবং অন্যান্য যোগ্যতার ওপর বিষয়টি নির্ভর করে।তবে এই বিশেষ ব্যবস্থায় আবেদন করার সুযোগ থাকা মানেই গ্রিন কার্ড নিশ্চিত নয়।

ইউএসসিআইএস আবেদনকারীর বৈবাহিক সম্পর্ক, মৃত স্বামী বা স্ত্রীর নাগরিকত্ব, পুনর্বিবাহের অবস্থা এবং অন্যান্য অভিবাসন-সংক্রান্ত যোগ্যতা যাচাই করে। এ ছাড়া আবেদনকারীকে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইনের অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হতে পারে। আগের অভিবাসন ইতিহাস বা কোনো আইনগত সমস্যা থাকলে আবেদন প্রভাবিত হতে পারে।

তাই কোনো মার্কিন নাগরিক স্বামী বা স্ত্রী মারা গেলে যোগ্য ব্যক্তির জন্য বিষয়টি দ্রুত যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মৃত্যুর পর দুই বছরের আবেদনসীমা এবং পুনর্বিবাহের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজন হলে অভিবাসন আইনজীবী বা অনুমোদিত অভিবাসন প্রতিনিধির পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।