যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ব পাওয়া ২৫ জনের বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এঁদের মধ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতও আছেন। উক্ত ২৫ জনের মধ্যে নিউ জার্সির এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি অতীতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিপোর্টেড হওয়ার তথ্য গোপন রেখে প্রতারণার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট অর্জন করেছেন। ফিঙ্গার প্রিন্ট ম্যাচ ও অন্যান্য যাচাই প্রক্রিয়ায় বিষয়টি সামনে আসার পর অভিবাসী মহলে নতুন করে উদ্বেগ, আলোচনা ও আতঙ্ক শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিসের তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি ডোমিনিকান রিপাবলিকের নাগরিক। ২০১৩ সালে মাদক-সংক্রান্ত অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। পরে তিনি ভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে আবার যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন এবং আগের বহিষ্কারের তথ্য গোপন রেখে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট সংগ্রহ করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের ফেডারেল প্রসিকিউটররা তার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে নাগরিকত্ব অর্জন এবং পাসপোর্ট জালিয়াতির অভিযোগে মামলা করেছেন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব বাতিল হওয়ার পাশাপাশি কারাদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন। তবে আদালতের রায় না হওয়া পর্যন্ত তিনি আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস আরও জানায়, বিভিন্ন স্টেটে মোট ২৫ জনের বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব মামলার অভিযোগের মধ্যে রয়েছে অভিবাসন জালিয়াতি, নাগরিকত্ব আবেদনের সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করা, শিশু যৌন নির্যাতন, মাদক পাচার, স্বাস্থ্যসেবা জালিয়াতি ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধ।















