যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দর সমুহে ফেডারেল সংস্থা ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা টিএসএ (TSA) এখন অপর ফেডারেল সংস্থা ইমিগ্রেশন এন্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট বা আইসিই (ICE)-কে বিমান যাত্রীদের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে যাত্রীদের তালিকা যাচাই করার সুযোগ দিচ্ছে এবং সংস্থার এজেন্টরা গেটে অপেক্ষা করে।
একটি চুক্তির আওতায় “আইসিই” যাত্রীদের তালিকাটি তাদের নিজস্ব নথিপত্রের সাথে মিলিয়ে দেখার সুযোগ পায়। যদি কোনো যাত্রীর নাম এমন কারো সাথে মিলে যায় যিনি অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তবে চেকপয়েন্ট বা গেটে এজেন্টরা আগে থেকেই অপেক্ষা করতে থাকে তাকে আটক করার জন্য।
টিএসএ-র ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক কংগ্রেসকে জানিয়েছেন যে, সংস্থাটি সব যাত্রীর তথ্য বা নথি আইসিই-র কাছে হস্তান্তর করে না; বরং তারা আইসিই-কে এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।
আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের পর্যালোচনায় উঠে আসা অভ্যন্তরীণ তথ্যে দেখা যায়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস নাগাদ ৩১,০০০-এরও বেশি যাত্রীর তথ্য হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এর সূত্র ধরে ৮০০-র বেশি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

















