তৃতীয় দেশে অভিবাসী পাঠানোর নীতি চালু রাখতে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি ঘিরে নতুন করে আইনি লড়াই শুরু হয়েছে। অভিবাসীদের নিজ দেশ ছাড়া অন্য কোনো তৃতীয় দেশে দ্রুত পাঠানোর প্রক্রিয়া চালু রাখতে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।
২৪ সেপ্টেম্বর প্রশাসনের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে এ বিষয়ে আবেদন করা হয়। এর আগে একটি নিম্ন আদালতের নির্দেশে তৃতীয় দেশে দ্রুত অভিবাসী পাঠানোর প্রক্রিয়া আটকে যায়। পরে আপিল আদালতও নিম্ন আদালতের সেই সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।
ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি, আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে চলমান প্রত্যাবাসন কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এর ফলে কিছু ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে এবং সরকারের অতিরিক্ত খরচের পাশাপাশি কূটনৈতিক জটিলতাও তৈরি হচ্ছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিবাসন অধিকারকর্মী ও আইনজীবীদের অভিযোগ, কোনো অভিবাসীকে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানোর আগে তাকে সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে আপিল বা আইনি প্রতিকার নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। এ বিষয়ে আদালতের সাম্প্রতিক আদেশকে তারা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন।
অভিবাসন ইস্যুতে একই সময়ে আরও কয়েকটি পরিবর্তন সামনে এসেছে। অ্যাসোসিয়েশন অব ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনালিটি ল’ইয়ার্স জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে চূড়ান্ত প্রত্যাবাসন আদেশ পাওয়া অনেক আটক ব্যক্তির অবস্থান আইসিইর অনলাইন ডিটেইনি লোকেটরে আর দেখা যাচ্ছে না।
এদিকে নতুন অভিবাসন নীতির কারণে এইচ-১বি কর্মসংস্থান ভিসা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ১৮ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প প্রশাসন নতুন এইচ-১বি আবেদনের ক্ষেত্রে ১ লাখ ডলারের ফি-সংক্রান্ত ব্যবস্থা আরও এক বছর বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। বিষয়টি নিয়েও আদালতে আইনি চ্যালেঞ্জ চলছে।
যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের আটক, প্রত্যাবাসন, তৃতীয় দেশে পাঠানো এবং বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থা নিয়ে চলমান আইনি লড়াইয়ে সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।













