বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ইমিগ্র্যান্ট ভিসা আবেদনকারীদের সাক্ষাৎকার স্থগিতের সিদ্ধান্ত নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। কারণ, আদালত আগের ভিসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিল করার কয়েক দিনের মধ্যেই এবার সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়ায় সাময়িক স্থগিতাদেশ দিল ট্রাম্প প্রশাসন।
২৪ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বিশ্বের সব দূতাবাস ও কনস্যুলেটকে নির্ধারিত ইমিগ্র্যান্ট ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিত ও নতুন করে সময় নির্ধারণের নির্দেশ দেয়। ফলে যেসব আবেদনকারীর সাক্ষাৎকার আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল, তাদের আপাতত অপেক্ষা করতে হবে। তবে আবেদন বাতিল করা হয়নি।
ওয়াশিংটনে স্টেট ডিপার্টমেন্টের ব্যাখ্যা অনুযায়ী কনস্যুলার কর্মকর্তাদের নতুন প্রশিক্ষণের জন্যই এ উদ্যোগ। মূল লক্ষ্য, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর কোনো আবেদনকারী সরকারি সহায়তার ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন কি না, তা আরও কঠোরভাবে যাচাই করা।
এ ক্ষেত্রে বয়স, স্বাস্থ্য, আর্থিক সক্ষমতা, শিক্ষা ও দক্ষতার মতো বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে। অর্থাৎ শুধু ভিসার কাগজপত্র বা যোগ্যতাই নয়, একজন আবেদনকারীর ভবিষ্যৎ আর্থিক সক্ষমতাও এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে, এই পদক্ষেপ ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসননীতিতে আরও কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে বাংলাদেশসহ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে সাক্ষাৎকার পুনর্নির্ধারণে বিলম্ব তৈরি হলে ভিসা প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা বাড়তে পারে।
তবে কবে থেকে সাক্ষাৎকার আবার স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো সময়সীমা জানায়নি মার্কিন প্রশাসন।














