চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে ২ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত ১১ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এর আগে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশে সর্বনিম্ন ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল।
তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ শতাংশ বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। গত আগস্টে বাংলাদেশে ২ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে ৮ হাজার ৫৯১ মিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৭ হাজার ৫৮৬ মিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে ১৩ দশমিক ৩ শতাংশ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বরের প্রথম ১০ দিনে ১ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে। ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তা প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। অর্থাৎ মাসের শেষ ১০ দিনে রেমিট্যান্সের প্রবাহ কমেছে। রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে ব্যাংকাররা কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
কেন রেমিট্যান্স কমেছে, তা নিয়েও তারা নিশ্চিত নন। তবে এর পেছনে দুটি কারণ থাকতে পারে বলে মনে করছেন তারা। ব্যাংকারদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে রেমিট্যান্সে প্রভাব পড়তে পারে। সেপ্টেম্বরের শেষ ১৫ দিনে (১৬–৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সৌদি আরবে হুতিদের হামলার দাবি তুলনামূলকভাবে ঘন ঘন এসেছে। এ পরিস্থিতির প্রভাব রেমিট্যান্স প্রবাহে পড়তে পারে বলে মনে করছেন তারা।
ব্যাংকাররা আরও বলছেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ কমে না থাকলে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে হুন্ডির বাজার আবার সক্রিয় হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যকর তদারকি প্রয়োজন বলেও তারা মনে করছেন। বর্তমানে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকার আড়াই শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। সংবাদ সুত্র দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড













