যুক্তরাষ্ট্র সরকারের চলমান illegal Imigration crackdown এর অংশ হিসেবে আরও ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
তারা গত ৩০ জুলাই ২০২৬, একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। বিমানবন্দরে তাদেরকে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক এবং এভিয়েশন সিকিউরিটির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক সহায়তা, কাউন্সেলিং ও যাতায়াত সুবিধা দেওয়া হয়। কারা ছিলেন তারা?
ব্র্যাকের তথ্য অনুযায়ী:
১৩ জন নোয়াখালীর, বাকিরা সিলেট, কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মুন্সীগঞ্জ, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর ও ঢাকা জেলার। তাদের বেশিরভাগই তরুণ। ৫০-৬৫ লাখ টাকার ভয়ঙ্কর রুট। ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে প্রত্যেকেই দালালকে ৫০ থেকে ৬৫ লাখ টাকা দিয়েছেন।
কীভাবে গেছেন?
প্রথমে বৈধভাবে বা ট্যুরিস্ট ভিসায় ব্রাজিল। সেখান থেকে শুরু হয় পায়ে হাঁটা পথ। বলিভিয়া, পেরু, ইকুয়েডর, কলম্বিয়া, পানামা, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া, হন্ডুরাস, গুয়াতেমালা হয়ে মেক্সিকো বর্ডার।
১৩ থেকে ১৫টা দেশ, জঙ্গল, নদী, বাসে-পায়ে হেঁটে — তারপর USA বর্ডার। অনেকেই USA তে পৌঁছে কাজও পেয়েছিলেন, কিন্তু কাগজপত্র না থাকায় শেষ পর্যন্ত ফেরত আসতে হলো।
অবশ্য এটা প্রথম না। এটা বাংলাদেশ থেকে সংঘবদ্ধ মানব পাচারের চলমান প্রক্রিয়ার অংশ। ব্র্যাক জানিয়েছে, ২০২৫ সালের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত মোট ৩৬৯ জন বাংলাদেশিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরের শুরুতেই ২২৬ জনকে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।
যারা এখনো অবৈধ ভাবে আসতে চান, তাদের জন্য বার্তা কী?
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে আসা মোটেও সহজ না, থাকাটা আরও কঠিন। দালালের মিষ্টি কথায় গলে গেলেই বিপদ সবচেয়ে বেশি। BMET কার্ড দিয়ে ব্রাজিল পাঠিয়ে USA নেওয়ার যে গল্প, সেটা এখন মৃত্যুফাঁদ। ৫০ লাখ বাংলাদেশী টাকায় বাংলাদেশেই ৩টা দোকান হয়, কিন্তু দালালকে দিলে ফিরতে হয় খালি হাতে।
আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হওয়া বেশি জরুরী। বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকলে, ভয়ের কিছু নেই। immigration Status নিয়ে সন্দেহ থাকলে ActionNYC এর মতো Free, Safe Legal Help আছে — 1-800-354-0365তে যোগাযোগ করা যেতে পারে। যোগাযোগের পর কোনো তথ্য Immigration দপ্তরকে দেওয়া হয় না।















