যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা ভিসার আবেদনকারীদের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ বাধ্যতামূলক, করদাতাদের ওপর বোঝা না হওয়ার বিষয়টি যাচাই করবে কনস্যুলার কর্মকর্তা
যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে বি-২ ভিসার জন্য আবেদনকারীদের চিকিৎসা ব্যয়, সংশ্লিষ্ট সব খরচ এবং যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াতের ব্যয় বহনের আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ দেখাতে হবে। পাশাপাশি প্রতিটি আবেদন কনস্যুলার কর্মকর্তারা পৃথকভাবে পর্যালোচনা করবেন, যাতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে আবেদনকারীর যুক্তরাষ্ট্র সফর দেশটির করদাতাদের ওপর কোনো আর্থিক বোঝা সৃষ্টি করবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, চিকিৎসার জন্য বি-২ ভিসা আবেদনকারীদের সাধারণত নিজ দেশের একজন চিকিৎসকের কাছ থেকে রোগ নির্ণয়সংক্রান্ত নথি জমা দিতে হয়। এতে কেন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা প্রয়োজন, তার চিকিৎসাগত কারণ উল্লেখ থাকতে হবে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের যে হাসপাতাল বা চিকিৎসক চিকিৎসা দিতে সম্মত, তাদের পক্ষ থেকে চিকিৎসার সম্ভাব্য সময়কাল, ব্যয় এবং চিকিৎসা গ্রহণের সম্মতিপত্রও দাখিল করতে হতে পারে।
এ ছাড়া আবেদনকারী বা তার চিকিৎসার ব্যয় বহনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব, আয়-সঞ্চয়ের নথি কিংবা কর-সংক্রান্ত কাগজপত্রের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে যে চিকিৎসা, আবাসন, যাতায়াত এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় বহনের পর্যাপ্ত সামর্থ্য রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, ভিসা আবেদনগুলো মামলাভিত্তিক পর্যালোচনা করা হয়। কনস্যুলার কর্মকর্তা আবেদনকারীর স্বাস্থ্য, আর্থিক অবস্থা, পারিবারিক পরিস্থিতি এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্যসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের আইনে ভিসা পাওয়ার যোগ্য কি না।
একই সঙ্গে তারা নিশ্চিত হন যে আবেদনকারী চিকিৎসা বা অন্যান্য ব্যয়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বেন না এবং এতে মার্কিন করদাতাদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ সৃষ্টি হবে না।















