বাংলাদেশ সরকার অনুমোদন দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করতেও পুলিশ পিছপা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।
ঢাকার চকবাজারে ‘কমিউনিটি ইসলামিক ব্যাংক সিস্টেম’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।
আইজিপি বলেন, ‘সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে হলে পুলিশের প্রয়োজন রয়েছে। স্বাধীনতা আছে বলে যা ইচ্ছা, তা করা যাবে না।’ আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কথায় কথায় পুলিশের ওপর দায় চাপানোও ঠিক নয়।’
তিনি বলেন, ‘কে আসবে, আপা কবে আসবে, কী হবে—ওইটা আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দেখার বিষয় না। আমাদের দায়িত্ব হলো—আইন ও সংবিধান অনুযায়ী যখন যেখানে যা প্রয়োগ করা দরকার, সেটাই আমরা করব। যেখানে ক্রসফায়ারের যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাউ করে, আমরা সেটাই করব।’
এ সময় পাড়া-মহল্লায় মাদকের বিস্তার এবং মাদক কারবারের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পাশাপাশি পুলিশের কিছু সদস্যের সম্পৃক্ততা থাকারও অভিযোগও তোলেন আইজিপি।
তিনি বলেন, ‘আজ পাড়ায়-মহল্লায় প্রতিটি আড্ডায় মাদকের ছড়াছড়ি। এই পরিস্থিতি কে তৈরি করেছে? আপনারা খেয়াল করলে দেখবেন, তখনকার সরকারি দলের যেসব নেতা-নেত্রী ছিলেন, তারা প্রত্যেকেই এর পেছনে মদদ জুগিয়েছেন। পাশাপাশি, আমাদের পুলিশেরও কিছু সদস্য এর সাথে জড়িত ছিল, এখনো কিছু আছে।’
আইজিপি বলেন, ‘আমরা গত দুই মাসে প্রায় সাতাশ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে জেলে পাঠিয়েছি। সুতরাং, আমরা যে আগে নিজের ঘর পরিষ্কার করছি—আপনারা সেটাই দেখছেন। অথচ এই বিষয় নিয়েও নানা ধরনের অপব্যাখ্যা দেওয়া হয়।’








