১৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ ভোটদানের অভিযোগে একাধিক গ্রিন কার্ডধারী (স্থায়ী বাসিন্দা) ও বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধ ভোটদানের অভিযোগে একাধিক গ্রিন কার্ডধারী (স্থায়ী বাসিন্দা) ও বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার

যুক্তরাষ্ট্রে ভোটার তালিকা নিয়ে কড়াকড়ির মধ্যে অবৈধ ভোটদানের অভিযোগে একাধিক গ্রিন কার্ডধারী (স্থায়ী বাসিন্দা) ও বিদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নির্বাচনী আইন প্রয়োগ এবং ভোটার তালিকা সংস্কারের অংশ হিসেবে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

টেক্সাসের নর্দার্ন ডিস্ট্রিক্টের ফেডারেল প্রসিকিউটরদের তথ্য অনুযায়ী, অতি সম্প্রতি টেক্সাস ও অন্যান্য রাজ্যে বেশ কয়েকজন গ্রিন কার্ডধারীর বিরুদ্ধে জালিয়াতি করে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন ও অবৈধভাবে ভোট দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

ঘটনার মূল তথ্যসমূহ:

সাম্প্রতিক গ্রেপ্তার: টেক্সাসে গত ১০ ও ১১ সেপ্টেম্বর মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে অবৈধ ভোট বা মিথ্যা নাগরিকত্ব দাবির অভিযোগে মামলা দেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে ৬ জনই নাইজেরিয়া, ভারত, মেক্সিকো ও কঙ্গোর গ্রিন কার্ডধারী।

অন্যান্য স্টেটের পরিস্থিতি: ক্যালিফোর্নিয়া, কানসাস, লুইজিয়ানা ও ম্যাসাচুসেটসেও অনুরূপ জালিয়াতির অভিযোগে কয়েকজন বিদেশি নাগরিক ও গ্রিন কার্ডধারীকে গ্রেপ্তার বা অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ম্যাসাচুসেটসে অন্য এক গ্রিন কার্ডধারীর পরিচয় চুরি করে ভোট দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

আইনি কড়াকড়ি: যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল (রাষ্ট্রীয়) নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য মার্কিন নাগরিক হওয়া বাধ্যতামূলক। নাগরিক না হয়েও ভোটার নিবন্ধন ফর্মে নিজেকে মার্কিন নাগরিক হিসেবে দাবি করা একটি মারাত্মক ফেডারেল অপরাধ।

সম্ভাব্য শাস্তি ও ঝুঁকি: এই অপরাধ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ ১ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। পাশাপাশি তাদের গ্রিন কার্ড (স্থায়ী বাসিন্দা মর্যাদা) বাতিল করে নিজ দেশে ডিপোর্ট বা বহিষ্কার করার আইনি প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।

ভোটের অধিকার রক্ষা ও জালিয়াতি ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসন এই তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা জোরদার করেছে। তবে ভোট অধিকার কর্মীরা মনে করেন, নাগরিক নন এমন ব্যক্তিদের ভোট দেওয়ার ঘটনা তুলনামূলকভাবে খুবই বিরল।