গত ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার ইউএসসিআইএস এর পক্ষ থেকে ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় জারি করা হয়েছে, যা ‘ডেফার্ড অ্যাকশন ফর চাইল্ডহুড অ্যারাইভালস’ (DACA) কর্মসূচির আওতাভুক্ত ব্যক্তি এবং অন্যান্য ইমিগ্র্যান্টদের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে; এই ইমিগ্রান্টরা বৈধ স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা ‘গ্রিন কার্ড’ পাওয়ার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অ্যাডভান্স প্যারোল (advance parole) সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে বিদেশ ভ্রমণের ওপর নির্ভর করে আসছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস বা বিচার বিভাগের (DOJ) অধীনস্থ ‘বোর্ড অফ ইমিগ্রেশন আপিলস’ ২০১২ সালের একটি পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে। ওই সিদ্ধান্তে এমন ইমিগ্র্যান্টদের সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল—যারা শিশু অবস্থায় অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন এবং ‘অ্যাডভান্স প্যারোল’ (স্থায়ী ইমিগ্রেশন মর্যাদা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ইস্যুকৃত সাময়িক ট্রাভেল পারমিট বা ভ্রমণ নথি নিয়ে বিদেশে যাওয়ার সময় ‘অবৈধ অবস্থানের কারণে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা’র (unlawful presence bars) আওতায় পড়তেন না।
১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার দেওয়া এক সিদ্ধান্তে বোর্ড অফ ইমিগ্রেশন এপিলস জানিয়েছে যে, অভিবাসন আইনের আওতায় ‘অ্যাডভান্স প্যারোল’ ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে ভ্রমণকে ‘দেশত্যাগ’ (departure) হিসেবে গণ্য করা হতে পারে। এর ফলে, যুক্তরাষ্ট্রে পুনরায় প্রবেশ বা ইমিগ্রেশন মর্যাদা পরিবর্তনের (adjustment of status) আবেদনের সময় কোনো কোনো আবেদনকারী তিন বা দশ বছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন।
আইনি ইমিগ্রেশন এবং স্থায়ী বসবাসের জন্য আবেদনকারীদের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের লক্ষ্যে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া নানাবিধ সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবেই এই নীতিগত পরিবর্তনটি এসেছে। ‘অস্থায়ী সুরক্ষা মর্যাদা’ (Temporary Protected Status) ও ‘মানবিক প্যারোল’ (humanitarian parole)-এর আওতাভুক্ত ব্যক্তিদের সুরক্ষাসহ বেশ কিছু সুরক্ষা ব্যবস্থাও প্রত্যাহার করা হয়েছে; এর মধ্যে কোনো কোনো পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের সমর্থনও পেয়েছে।














