৯ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কমিউনিটি

নিউইয়র্কে যাত্রা শুরু করেছে আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল পলিসি অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি

নিউইয়র্কে যাত্রা শুরু করেছে আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল পলিসি অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি

নতুন চিন্তা, গবেষণা, নীতি উদ্ভাবন ও কূটনৈতিক কৌশল নিয়ে কাজের লক্ষ্য নিয়ে নিউইয়র্কে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল পলিসি অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি। একই অনুষ্ঠানে উম্মাহ বাংলা মিডিয়ার আন্তর্জাতিক কার্যক্রমেরও উদ্বোধন করা হয়েছে।

‘প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ’ এর উদ্যোগে আয়োজিত বিশেষ মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ থেকে আগত এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জুর উপস্থিতিতে উদ্যোগ দুটির কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। দেশ, জাতি ও মানবতার শান্তি, কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। পরে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আজিজুর রহমান।

আয়োজকদের প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, ইনস্টিটিউট ফর গ্লোবাল পলিসি অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাসি একটি আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাংক ও নীতি গবেষণা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে শান্তি, নিরাপত্তা, মানবাধিকার, কৌশলগত অ্যাডভোকেসি, জোট গঠন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, নীতি গবেষণা ও নীতি উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করবে।

প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য নতুন মেধা ও চিন্তার বিকাশ, উদ্ভাবনী ধারণা তৈরি এবং ভবিষ্যৎমুখী নীতি ও কূটনৈতিক কৌশল প্রণয়ন। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মেধা, পেশাগত অভিজ্ঞতা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগ কাজে লাগিয়ে দুই দেশের মধ্যে প্রবাসী সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

আয়োজকেরা জানান, আইজিপিডির কার্যক্রম গবেষণা ও মতবিনিময়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। নীতি প্রস্তাব প্রণয়ন, আন্তর্জাতিক অ্যাডভোকেসি, মানবাধিকার, শান্তি ও নিরাপত্তা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটির মধ্যে যোগাযোগ ও কূটনৈতিক সেতুবন্ধ তৈরিতেও কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।

একই অনুষ্ঠানে উম্মাহ বাংলা মিডিয়ার আন্তর্জাতিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। সংবাদ, গণমাধ্যম, কমিউনিটি ও বৈশ্বিক বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ, প্রবাসী বাংলাদেশি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগের সেতুবন্ধ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে ইউবিএম।

কমিউনিটির কণ্ঠস্বর তুলে ধরা, মানবাধিকার ও জনস্বার্থের বিষয় সামনে আনা এবং প্রবাসীদের বিভিন্ন উদ্যোগ ও কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরাও ইউবিএমের অন্যতম লক্ষ্য বলে জানানো হয়।

মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও জবাবদিহিতা, রাজনৈতিক সংস্কার এবং বাংলাদেশ ও প্রবাসীদের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদারের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশ ও প্রবাসী প্রতিনিধিদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ ও যৌথ উদ্যোগের কাঠামো তৈরির ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আলোচনায় ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও আত্মত্যাগের বিষয়টি স্মরণ করা হয়। বক্তারা মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণে নাগরিক ও প্রবাসীদের ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক সোহেব, ড. শেখ মিজান, আজিজুর রহমান, রহমতুল্লাহ, হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন, আবদুল আলীম, দিপন গাজী, সামাজিক ন্যায়বিচারবিষয়ক পরিচালক মাহতাব উদ্দিন, মিনা ফারাহ, কাজী ফৌজিয়া, কবি কাজী জহিরুল ইসলাম ও অধ্যাপক সৈয়দ আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তা মেসবাহ উদ্দিন, নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের কমিউনিটি কর্মকর্তা সোহেল রানা। যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা এবং ফেডারেল সরকারের কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকির এমদাদ রহমানও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সংবাদসুত্র ওয়েব পোর্টাল প্রজন্ম কথা