১লা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

কমিউনিটি

রবীন্দ্রনাথের দর্শন, AI ও মানবতা: ড. রবীন্দ্র চক্রবর্তীর সঙ্গে হিউস্টনে ট্যাগোর সোসাইটির বিশেষ আলাপচারিতা

রবীন্দ্রনাথের দর্শন, AI ও মানবতা: ড. রবীন্দ্র চক্রবর্তীর সঙ্গে হিউস্টনে ট্যাগোর সোসাইটির বিশেষ আলাপচারিতা

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দর্শন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তি, শিক্ষা, সহমর্মিতা ও মানবিক সম্পর্ক – এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে কেন্দ্র করে “ট্যাগোর সোসাইটি অব হিউস্টন” এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো এক বিশেষ আলোচনা and Face to Face discussion।

গত রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে হিউস্টনের Ray Miller পার্কের ট্যাগোর গ্রোভে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট প্রযুক্তিবিদ, উদ্ভাবক ও লেখক ড. রবীন্দ্র চক্রবর্তী।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে একাধিক উদ্ভাবনী উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ড. চক্রবর্তী বাংলা ভাষায় প্রকাশিত বহু রচনারও একজন সফল লেখক। তাঁর সাম্প্রতিক ও সৃজনশীল উদ্যোগ ‘Tagore AI’ অনুষ্ঠানে বিশেষ আগ্রহের সৃষ্টি করে।

‘Tagore AI’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দর্শন ও মানবিক চিন্তাধারা থেকে অনুপ্রাণিত একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থা। এর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা, সহমর্মিতা এবং মানুষের মধ্যে অর্থবহ যোগাযোগকে আরও সমৃদ্ধ করা। ড. চক্রবর্তীর উপস্থাপনায় বিশেষভাবে উঠে আসে এমন একটি প্রযুক্তির ধারণা, যা মানুষের স্থান দখল করার পরিবর্তে মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ট্যাগোর সোসাইটি অব হিউস্টনের কোরাস দলের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানের ভাবনা ও বিষয়বস্তুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দুটি গান পরিবেশনের মাধ্যমে তারা একটি সুন্দর ও আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে।

পরবর্তীতে ট্যাগোর সোসাইটি অব হিউস্টনের সভাপতি শ্রী পার্থ সরকার উপস্থিত সবাইকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। তিনি ড. রবীন্দ্র চক্রবর্তীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং রবীন্দ্রনাথের দর্শন, AI, প্রযুক্তি, সহমর্মিতা ও মানবতা নিয়ে তাঁর অনুপ্রেরণামূলক ও চিন্তাশীল আলোচনার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

শ্রী সরকার একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে এবং বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আয়োজনটিকে সফল করে তোলার জন্য সকল অতিথি, সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানটি শুধু প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে মানবিক মূল্যবোধের সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে ভাবার সুযোগ সৃষ্টি করে। রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদী দর্শনের আলোকে প্রযুক্তিকে কীভাবে আরও মানবিক ও অর্থবহ করে তোলা যায় – আলোচনার বিভিন্ন পর্যায়ে সেই ভাবনাই বিশেষ গুরুত্ব পায়। – সংবাদ সুত্র সুরাঙ্গন নিউজ (হিউস্টন, টেক্সাস)