যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ এলাকায় শনিবার ৮ মার্চ দিবাগত রাতে অর্থাত্ ৯ মার্চ রোববার থেকে শুরু হচ্ছে ডে লাইট সেইভিংস টাইম। এদিন ঘড়ির কাটা এগিয়ে নিতে হবে এক ঘণ্টা। ৭ মার্চ শনিবার দিবাগত রাত (৮ মার্চ রোববার) ২টায় ঘড়ির কাটা এগিয়ে যাবে তিনটার ঘরে। আইফোন, এন্ড্রয়েডসহ প্রায় সবধরনের স্মার্ট ফোন, কম্পিউটারে সময় বদলে যাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে। নতুন এই সময়সূচি চালুর ফলে দিন হবে দীর্ঘ্যায়িত। সন্ধ্যা হবে দেরিতে। নতুন এই সময়সূচি অনুযায়ী নিউইয়র্কে যখন রাত ২টা বাজবে বাংলাদেশে হবে তখন দুপুর ১২টা।
এই ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে আগামী ১ নভেম্বর রোববার ভোর রাত ২টা পর্যন্ত। সে ক্ষেত্রে ১ নভেম্বর দিবাগত রাত দুইটায় ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে রাত ১টা করতে হবে। তবে অ্যারিজোনা, হাওয়াই, আমেরিকান সামুয়া গুয়াম, পুয়ের্তোরিকো ও ভার্জিন আইল্যান্ডের ঘড়ির কাঁটা একই স্থানে থাকে। অর্থাৎ এই স্টেটগুলোতে ডে লাইট সেভিংয়ের কোনো প্রভাব পড়ে না।
উল্লেখ্য, প্রতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ এলাকায় দু’দফা ঘড়ির কাটা এক ঘণ্টা এগোনো-পিছানো হয়। দিনের আলোকে কাজে লাগানোর জন্য এই উদ্যোগকে বলা হয় ডে লাইট সেইভিং টাইম। একে স্প্রিং ফরোয়ার্ড, সামার টাইমও অভিহিত করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ১০৬ বছর আগে ১৯১৮ সালে এই নীতি চালু করা হয়। গ্রীষ্মকালে দিন বড় হয়। এজন্যে ঘড়ির কাটা এক ঘন্টা এগিয়ে নিলে আমেরিকানদের কর্মপরিধি কিছুটা বাড়ে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।
‘ডে লাইট সেভিং’ নামে ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নেয়া বা গ্রীষ্মকালের পর এক ঘণ্টা পিছিয়ে নেয়া আমেরিকার শতাব্দী-প্রাচীন ঐতিহ্য। প্রথম মহাযুদ্ধের সময় আমেরিকা এবং ইউরোপের একাংশজুড়ে দিনের আলো সাশ্রয়ের জন্য ‘ডে লাইট সেভিং’ চালু হয়। ১৯১৮ সালে ইউএস কংগ্রেসে এ নিয়ে বিল উপস্থাপন করে দিনের আলো সাশ্রয়ের এ নিয়ম করা হয়।














