


বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এর আগে সবশেষ ২০২২ সালের নভেম্বরে ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছিল দেশের রিজার্ভ।
৩৯ মাস পর গত ২৪ ফেব্রুয়ারী সেই রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন (৩ হাজার ৫০৩ কোটি) ডলারে। আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী, রিজার্ভের মজুদ ৩০ দশমিক ২৭ বিলিয়ন ডলার।
বছর দেড়েক ধরে রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবাহের কারণে দেশের ব্যাংক খাত থেকে প্রচুর ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছিল। গতকালও ৮ কোটি ৭০ লাখ ডলার ক্রয় করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। সব মিলিয়ে চলতি ফেব্রুয়ারিতেই ১৫৩ কোটি ডলার ক্রয় করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে ডলার ক্রয়ের এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪৬ কোটি ৮৫ লাখ ডলারে।
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২০২০ সালের জুনে ৩৫ বিলিয়ন ডলার উচ্চতায় ওঠে রিজার্ভ। কভিড মহামারীর ওই সময়ে দেশের অর্থনীতির গতি শ্লথ হয়ে আসায় অবৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে যায়। এবার প্রবাসী আয়ের পাশাপাশি হুন্ডি ও অর্থ পাচার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উল্লেখযোগ্য হারে রিজার্ভ বৃদ্ধি পায়।
বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভের দেখা মেলে ২০২১ সালের আগস্টে। তবে এরপর অর্থ পাচার বেড়ে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে রিজার্ভ কমতে থাকে। ২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সময় রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম৬ হিসাবায়ন পদ্ধতিতে ছিল ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার।













