বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান সূচকগুলোর মধ্যে এখন রেমিটেন্স সবচেয়ে ভালো অবস্থানে আছে, যা সঙ্কটে পড়া অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়ে দিচ্ছে। বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের পাঠানো রেমিটেন্সে ইতিবাচক ধারা বজায় থাকায় চলতি অর্থবছরের সাড়ে তিন মাস না যেতেই ১০ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছেন বাংলাদেশীরা । আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে তা প্রায় ১৩ শতাংশ বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংক এখন প্রতিদিন রেমিটেন্স প্রবাহের তথ্য প্রকাশ করে। এতে দেখা যায়, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অক্টোবরের ১৩ দিনে ১৪০ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিটেন্স এসেছে দেশে, যা গত অক্টোবরের একই সময়ের চেয়ে ১০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।
২০২৫ সালের অক্টোবরের এই ১৩ দিনে এসেছিল ১২৭ কোটি ডলার। সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের তিন মাস ১৩ দিনে এসেছে ৯৯৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত ২০২৫-২৬ আর্থিক বছরের একই সময়ে এসেছিল ৮৮৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে ২৭৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। অগাস্টে এসেছিল ২৯৬ কোটি ৬৬ লাখ ডলার এবং প্রথম মাস জুলাইয়ে আসে ২৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ডলার।
অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩ হাজার ৫৫৯ কোটি (৩৫.৫৯ বিলিয়ন) ডলার পাঠিয়েছিলেন বাংলাদেশীরা। ১২ মাসের মধ্যে ছয় মাসই ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি এসেছিল।
রেমিটেন্সের উপর ভর করে বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভও বাড়ছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিন শেষে বিপিএম-৬ হিসাবে বাংলাদেশের রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার। গ্রস বা মোট হিসাবে যা ছিল ৩৬ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার।



















