যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ ভ্রমণ অনুমতি নিয়ে সাময়িকভাবে বিদেশে গেলেও কিছু অভিবাসীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার ক্ষেত্রে তিন বা ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আগে ছয় মাসের বেশি সময় বৈধ কাগজপত্র ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারীদের জন্য নতুন সিদ্ধান্তটি গুরুত্বপূর্ণ।
আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আপিল বোর্ডের এক সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, আগাম ভ্রমণ অনুমতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যাওয়া অভিবাসীর দেশত্যাগ হিসেবেই গণ্য হবে। ফলে নির্দিষ্ট সময় অবৈধভাবে অবস্থানের পর দেশ ছাড়লে পুনরায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে পারে।
এর আগে আগাম ভ্রমণ অনুমতি নিয়ে সাময়িক বিদেশযাত্রাকে সবসময় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার মতো দেশত্যাগ হিসেবে বিবেচনা করা হতো না। নতুন সিদ্ধান্তে সেই ব্যাখ্যার পরিবর্তন হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে পারে ডাকা কর্মসূচির আওতায় থাকা ব্যক্তি, সাময়িক সুরক্ষিত মর্যাদাধারী এবং স্থায়ী বসবাসের অনুমতির প্রক্রিয়ায় থাকা অভিবাসীদের ওপর। কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ছয় মাসের বেশি অবৈধভাবে অবস্থানের পর কেউ যুক্তরাষ্ট্র ছাড়লে তিন বছরের এবং এক বছর বা তার বেশি অবৈধভাবে অবস্থানের পর দেশ ছাড়লে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হতে পারে।
ভ্রমণ অনুমতিপত্র থাকলেও পুনঃপ্রবেশের নিশ্চয়তা নেই; সীমান্তে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। অভিবাসন আইনজীবী ও অধিকারকর্মীরা বলছেন, নতুন সিদ্ধান্তের ফলে অনেক অভিবাসী কঠিন পরিস্থিতিতে পড়তে পারেন। অন্যদিকে মার্কিন কর্তৃপক্ষের দাবি, বিদ্যমান আইনে অবৈধ অবস্থানের পর দেশ ছাড়ার বিধিনিষেধ আগাম ভ্রমণ অনুমতি নিয়ে দেশ ছাড়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। অভিবাসন আপিল বোর্ডের ১৩ আগস্টের সিদ্ধান্তে আগের একটি নজির বাতিল করে আগাম ভ্রমণ অনুমতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগকেও সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে ‘দেশত্যাগ’ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।













