৩০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শেষের পাতা

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বাংলাদেশের মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব আইরিন জুবাইদা খান। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে নিজের পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি। এর মধ্যদিয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করলেন আইরিন খান।

মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন, শরণার্থী সুরক্ষা, আইনের শাসন ও টেকসই উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইরিন খানের কয়েক দশকের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা রয়েছে। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০২০ সাল থেকে মতামত ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকার সুরক্ষা ও প্রসারবিষয়ক জাতিসংঘের স্পেশাল র‍্যাপোর্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আইরিন জুবাইদা খান। এর আগে ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত তিনি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সংস্থাটির ইতিহাসে প্রথম নারী মহাসচিব ছিলেন তিনি।

২০১২ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আইরিন খান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ল অর্গানাইজেশনের (আইডিএলও) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার আগে তিনি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়ে (ইউএনএইচসিআর) ২১ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতে চিফ অব মিশন এবং ডিভিশন অব ইন্টারন্যাশনাল প্রটেকশনের উপপরিচালকসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

মানবাধিকার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৬ সালে মর্যাদাপূর্ণ সিডনি পিস প্রাইজে ভূষিত হন আইরিন খান। তিনি বিখ্যাত ‘দ্য আনহার্ড ট্রুথ: পভার্টি অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস’ গ্রন্থের লেখক। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই মানবাধিকার ব্যক্তিত্ব ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার ও হার্ভার্ড ল স্কুল থেকে আইন বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন।