বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ অন্যান্য ইউটিলিটি সার্ভিসের খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিউইয়র্ক স্টেটের বাসিন্দাদের আর্থিক স্বস্তি দিতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে নিউ ইয়র্ক স্টেট গভর্নমেন্ট। এই উদ্যোগের আওতায় যোগ্য বাসিন্দাদের ১০০ ডলার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২০০ ডলার পর্যন্ত রিবেট চেক পাঠানো হবে। গভর্নর ক্যাথি হোকুলের ঘোষণা করা নতুন এই ‘পাওয়ার চেক’ কর্মসূচির অধীনে আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে ডাকযোগে প্রাপকদের ঠিকানায় চেকগুলো পৌঁছে যাবে। মূলত ক্রমবর্ধমান জ্বালানি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপ কমাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে গভর্নরের কার্যালয়।
িউ ইয়র্ক স্টেট কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই সহায়তার জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে। যাঁরা ২০২৪ করবর্ষের নিউইয়র্ক স্টেট রেসিডেন্ট আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন, পুরো বছর নিউইয়র্কে বসবাস করেছেন এবং নির্ধারিত আয়ের সীমার মধ্যে রয়েছেন, কেবল তাঁরাই এই চেক পাবেন। তবে অন্য কোনো করদাতার রিটার্নে নির্ভরশীল বা ‘ডিপেন্ডেন্ট’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকলে এই রিবেট চেক পাওয়া যাবে না। আয়ের সীমার ক্ষেত্রে যৌথভাবে কর রিটার্ন জমা দেওয়া দম্পতির সম্মিলিত আয় দেড় লাখ ডলারের কম হলে তাঁরা সর্বোচ্চ ২০০ ডলার পাবেন। আর তাঁদের আয় দেড় লাখ থেকে তিন লাখ ডলারের মধ্যে হলে মিলবে ১৫০ ডলার। অন্যদিকে, এককভাবে রিটার্ন জমা দেওয়া ব্যক্তিদের আয় দেড় লাখ ডলারের কম হলে তাঁরা ১০০ ডলার পাবেন।
সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, রিবেট হিসেবে পাওয়া এই অর্থ যে শুধু ইউটিলিটি বিল পরিশোধেই ব্যবহার করতে হবে, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। রিবেট চেক প্রাপকরা চাইলে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য যেকোনো কাজেও এই অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। নাগরিকদের ওপর থেকে আর্থিক চাপ কমানোর পাশাপাশি রাজ্য সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় আরও কিছু বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইউটিলিটি বিলে থাকা বিভিন্ন গোপন ফি বা হিডেন চার্জ বাতিল করা, কোম্পানির নির্বাহীদের বেতন সাশ্রয়ী সেবা নিশ্চিত করার সঙ্গে যুক্ত করা এবং মূল্যস্ফীতির নিচে ব্যয় সীমিত রেখে বিকল্প বাজেট উপস্থাপনের বিধান কার্যকর করা।















