


বইমেলা একটি নান্দনিক চর্চার ধারাবাহিকতা এবং একটি তাৎপর্য পূর্ণ অর্থনীতি। বইমেলা ঘিরে প্রায় অর্ধকোটি পরিবারের আর্থিক কর্মকাণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। থমকে গেছে একটি ধারাবাহিক নান্দনিক শিল্পচর্চার পরম্পরা।
১৪ ফেব্রুয়ারি, শনিবার, বিকেল তিনটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত বাংলাদেশে অমর একুশে বইমেলা কার্যত নিষিদ্ধের প্রতিবাদে, জ্যামাইকার একটি স্কুল মিলনায়তনে বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব, যুক্তরাষ্ট্র আয়োজিত প্রতিবাদী প্রতীকী বইমেলার উদ্বোধনী বক্তব্যে সভাপতি কবি মিশুক সেলিম একথা বলেন।

বইমেলায় আরো বক্তব্য রাখেন আবু সাইদ রতন, খালেদ সরফুদ্দীন, মিনহাজ আহমেদ সাম্মু, জি এইচ আরজু, আনোয়ার সেলিম, হাফিজুর রহমান, আমজাদ হোসেন, এম ডি হাসান, রিমি রূম্মান, রেশমা চৌধুরী ও মনজুর কাদের।
মেলায় লেখক ও কবিদের প্রকাশিত বই প্রদর্শিত হয়। উপস্থিত লেখক ও কবিবৃন্দ ছড়া, কবিতা এবং লেখা থেকে পাঠ করে শোনান।

Screenshot
বাঙালির দীর্ঘ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অন্যতম নান্দনিক স্হাপত্য অমর একুশে বইমেলা তুচ্ছ ছলছুতোয় নিষিদ্ধ করায় উপস্হিত কবি, লেখক ও প্রকাশকগন ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন। তারা মেলার সাথে জড়িত লেখক, প্রকাশক, প্রিন্টার, বাইন্ডার সহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের ক্ষতিপূরণের দায় সপর্কে কর্তৃপক্ষকে স্মরণ করিয়ে দেন।

গতমাসে বাংলাদেশের সরকারি প্রতিষ্ঠান গুলোতে আবৃত্তি চর্চার ওপর নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব যুক্তরাষ্ট্রের দিনব্যাপী আবৃত্তি অনুষ্ঠান আয়োজনের উদ্ধৃতি দিয়ে বক্তাগন বলেন, বাংলাদেশের উপজেলা, জেলা ও জাতিয় পর্যায়ে সুকৌশলে ও পরিকল্পিত ভাবে শিক্ষা, খেলাধুলো ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড একে একে বন্ধ করে তার পরিবর্তে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় সস্তা ওয়াজ মাহফিলের নামে অশ্লিল নারীবিদ্বেষী বক্তব্য, সাম্প্রদায়িক ও মানবতা বিরোধী প্রচারনা, তুচ্ছ তাচ্ছিল্য, হিংসা, বিভেদ ও বিদ্বেষ ছড়ানো এবং যাকে তাকে মুরতাদ- কাফের ঘোষনা করে ফতোয়ার মাধ্যমে সামাজিক চরম অস্হিরতা তৈরীর সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ রাইএার্স ক্লাব, যুক্তরাষ্ট্র ধর্মীয় উত্তেজনা ছড়ানোর এসব পরিকল্পিত কুটকৌশল থেকে সরে আসার জন্য সরকারকে সতর্ক করে দেন। মনজুর কাদের প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুসারে













