৩১শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র

ভেনেজুয়েলায় ঢুকতে পারলে বিশ্বের ৫৫ শতাংশ তেল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র বললেন ট্রাম্প

ভেনেজুয়েলায় ঢুকতে পারলে বিশ্বের ৫৫ শতাংশ তেল নিয়ন্ত্রণ করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র বললেন ট্রাম্প

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলার তেলশিল্পে যদি মার্কিন কোম্পানিগুলো আবার প্রবেশের সুযোগ পায়, তবে বিশ্বের মোট তেল উৎপাদনের অর্ধেকের বেশি নিয়ন্ত্রণ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তেলের মজুত রয়েছে ভেনেজুয়েলায়। ২০০০–এর দশকে সমাজতান্ত্রিক প্রেসিডেন্ট হুগো চাভেজের আমলে মার্কিন কোম্পানিগুলোর সম্পদ জাতীয়করণ করেছিল দেশটি।

ট্রাম্প এই ‘অন্যায্য’ জাতীয়করণকে ভেনেজুয়েলার অর্থনীতি ভেঙে পড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচারের অভিযোগ এনে গত সপ্তাহে ভেনেজুয়েলার বর্তমান প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে কারাকাস থেকে তুলে নিউইয়র্কে নিয়ে গেছেন।

৯ জানুয়ারীশুক্রবার হোয়াইট হাউসে এক্সনমোবিল, শেভরন ও কনোকোফিলিপসের মতো বড় তেল কোম্পানিগুলোর কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ভেনেজুয়েলার সঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছি।’

ট্রাম্প আরও যোগ করেন, ‘ভেনেজুয়েলার জ্বালানি অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ করার সুযোগ পাবে মার্কিন কোম্পানিগুলো এবং শেষ পর্যন্ত তেলের উৎপাদন এমন পর্যায়ে নিয়ে যাবে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। আপনি যখন ভেনেজুয়েলা ও যুক্তরাষ্ট্রের তেল এক করবেন, তখন আমাদের হাতে বিশ্বের ৫৫ শতাংশ তেল থাকবে।’

বৈঠকের পর ট্রাম্প ঘোষণা করেন, মার্কিন কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলার তেল খাতে অন্তত ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে। তবে এক্সনমোবিলের সিইও ড্যারেন উডস বলেন, ভেনেজুয়েলার জ্বালানি খাতের নিয়মকানুন ও কাঠামো আমূল পরিবর্তন না করা পর্যন্ত সেখানে বিনিয়োগ করা সম্ভব নয়।

ভেনেজুয়েলা সরকার অবশ্য এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি। তবে মাদুরোর অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়া দেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রসহ সব পক্ষের সঙ্গে জ্বালানি প্রকল্পে কাজ করতে আগ্রহী।