২০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

‘প্রাসাদ ষড়যন্ত্রে’ ছাত্ররা প্রথম মাসেই ছিটকে পড়েছিল’

বাংলাদেশে ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম নানা বিষয়ে কথা বলেছেন জার্মান বেতার ডয়চে ভেলে-র সঙ্গে৷

অন্তর্বর্তী সরকারে ছাত্রপ্রতিনিধিদের সত্যিকারের কোনো ক্ষমতা ছিল না বলেও মন্তব্য করেছেন মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, তাদের রাখা হয়েছিল কেবলই ‘ছাত্ররাই সব’ এমনটা দেখানোর জন্য৷

সংক্ষেপিত আকারে সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ তুলে ধরা হলো পাঠকদের জন্য৷ প্রশ্ন: আপনারা ছাত্রদের প্রতিনিধি হিসাবে উপদেষ্টা পরিষদে গিয়েছিলেন৷ পরবর্তীতে কি আপনারা ছাত্রদের প্রতিনিধি হতে পেরেছিলেন আসলে?

মাহফুজ আলম: অধিকাংশ ক্ষেত্রে হওয়া গেছে৷ ছাত্রদের প্রতিটা ইস্যু প্রথম ছয় থেকে সাত মাস ডিল করা হয়েছে৷ আমরা তিন জন সেগুলো ডিল করেছি৷ বিশেষ করে রাজনৈতিক ইস্যুগুলো আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে ডিল করেছি৷

প্রশ্ন: মানুষের এক ধরনের পারসেপশন আছে৷ অনেক বিশ্লেষকও এটা বলে থাকেন যে, উপদেষ্টা পরিষদের মধ্যে নানা ধরনের গ্রুপ আছে৷ একেক উপদেষ্টা একেক গ্রুপের পারপাস সার্ভ করেন৷ আপনি কি সেটা দেখেছেন? আমাদের বলবেন? মাহফুজ আলম: আমার মনে হয়, এখন আমি এ বিষয়ে কথা বলার অবস্থানে নেই৷ প্রশ্ন: এর মানে আপনি স্বীকারও করছেন না, অস্বীকারও করছেন না?

মাহফুজ আলম: হ্যাঁ৷ ইতিহাস বিচার করবে আমরা কোথা থেকে কোথায় আসলাম, কেন আসলাম৷ আমি শুধু এতটুকু আজ বলবো, পরবর্তীতে বলার সুযোগ বা সময় হলে আরো বলবো৷ ছাত্রদের যে পরিমাণ দোষ দেয়া হয়, তার এক শতাংশও ছাত্রদের না৷ প্রশ্ন: কার?

মাহফুজ আলম: ওল্ড গার্ডসদের৷ যারা ছাত্রদের কেবল সামনে দেখিয়েছে, যে দেখো এরাই সবকিছু করেছে, এরাই সবকিছুর জন্য পাপী৷…. ক্ষমতায়ন করা বলতে যা বোঝা যায়, ছাত্রদের কতটা ক্ষমতায়ন করেছে সবাই মিলে? প্রশ্ন: আপনি সরাসরি প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ছিলেন৷

মাহফুজ আলম: প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসাবে আমার কাজ কী ছিল? আপনি সাংবাদিক হিসাবে জানেন? এটাই ইতিহাস ব্যাখ্যা করবে, আপনিই সাংবাদিক হিসাবে জানেন না, আমার কাজ কী ছিল!