


Screenshot
পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার-জেএমসি’র উদ্যাগে এনওয়াইপিডি’র কর্মকর্তা, বিভিন্ন মসজিদের ইমাম-ওলামা ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে ‘প্রি রমাদান কনফারেন্স’ করেছে। সোমাবার (১৬ ফেব্রুয়ারী) বাদ এশা জেএমসি মিলনায়তের এই কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। এতে রমজান মাস জুড়ে সিটির বিভিন্ন মসজিদ ও মসজিদ সংলগ্ন আশ-পাশের এলাকায় আইনশৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন সহ নানা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

ব্যতিক্রমী এই কনফারেন্সে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন এনওয়াইপিডি’র এ্যাসিসটেন্ট কমিশনার আলদিন ফোস্টার, ইন্সপেক্টর আদেল রানা, বরো কমান্ডার অব কুইন্স সাউথ-এর ক্রিস্টাফার ম্যাকেস্টাচ ও পিএস ১০৭-এর কমান্ডিং অফিসার লার্কিং।

কনফারেন্সে অন্যান্যের মধ্যে জেএমসি’র ট্রাষ্টিবোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. মাহমুদুর রহমান তুহিন, মুনা’র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরমান চৌধুরী, ইকনা মসজিদের ইমাম মাওলানা সাঈদুর রহমান, রিয়াজুল জান্নাহ মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি নূরুল হক, মসজিদ আবেদীনের ইমাম সাফরাজ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট সালেহ আহমেদ সহ আরো অনেকে। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেএমসি’র সভাপতি ডা. নাজমুল এইচ খান এবং পবিত্র রমাজানের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন জেএমসি’র পরিচালক ইমাম শামসী আলী।

এছাড়াও উপস্থিত ইমামদের পরিচয় করিয়ে দেন মওলানা শহীদুল্লাহ। সবশেষে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন ইমাম এহতেশামুল হক। কনফারেন্স পরিচালনা করেন জেএমসি’র সেক্রেটারী ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার।

কনফারেন্সে বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও প্রতিনিধিরা পবিত্র রমাজান মাসে মসজিদ এলাকায় সকাল-সন্ধ্যা পুলিশী পেট্রোল জোরদার করার পাশাপাশি নামাজের সময় বিশেষ করে তারাবিহ নামাজের সময় এক/দেড় ঘন্টা গাড়ী পার্কিং ব্যবস্থায় বিশেষ সুবিধার দাবী জানান।

পাশাপাশি জেএমসি’র এমন উদ্যোগ ও আয়োজনের প্রশংসার পাশাপাশি মাঝেমধ্যে এই ধরণের কনফারেন্সের দাবী জানান। যাতে সময়ে সময়ে পুলিশ প্রশাসনের সাথে সাথে বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলা যাবে এবং মসজিদ কেন্দ্রীক সমস্যার সমাধানও হবে। খবর ইউএনএ’র।




















