১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শেষের পাতা

যুক্তরাষ্ট্রে এফ-১ ও এল-১ ভিসাধারীদের এইচ-১ বি ভিসায় অতিরিক্ত ফি দিতে হবেনা

যুক্তরাষ্ট্রে এফ-১ ও এল-১ ভিসাধারীদের এইচ-১ বি ভিসায় অতিরিক্ত ফি দিতে হবেনা

যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের জন্য বড় ধরনের স্বস্তি নিয়ে এসেছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) এর এই নির্দেশনায় যুক্তরাষ্ট্রে থাকা এফ-১ শিক্ষার্থী ভিসাধারী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও এল-১ কর্মীরা সরাসরি উপকৃত হবেন।

(২১ অক্টোবর) মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও কর্মীরা, যারা এখানেই থেকে এইচ-১বি ভিসা স্ট্যাটাসে রূপান্তর করতে চান, তাদের ১ লাখ ডলারের ফি দিতে হবে না বলে সোমবার একটি নতুন নির্দেশনায় জানিয়েছে ইউএসসিআইএস।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন গত ১৯ সেপ্টেম্বর এক প্রেসিডেন্সিয়াল প্রোক্লেমেশনে এই ১ লাখ ডলার ফি চালু করে, যা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক বিভ্রান্তি ও সমালোচনা তৈরি হয়েছিল। সোমবারের নির্দেশনাটি এই প্রথমবারের মতো বিষয়টি স্পষ্ট করল। এতে জানানো হয়, যারা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে থেকে ভিসার ধরন পরিবর্তন করছেন, যেমন এফ-১ শিক্ষার্থী ভিসা থেকে এইচ-১বি কর্মভিসায় যাচ্ছেন

সংস্থাটি জানিয়েছে, তাদের ওপর এই নতুন ফি প্রযোজ্য নয়। একইভাবে, যারা নিজেদের ভিসা মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করবেন, তারাও ফি ছাড় পাবেন। যেসব কর্মীর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে থেকে আবেদন করা হবে বা যাদের দেশ ছাড়তে হবে আবেদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগে, তাদের ক্ষেত্রে ফি প্রযোজ্য হবে। একই সঙ্গে সংস্থাটি অনলাইনে এই ১ লাখ ডলার ফি পরিশোধের জন্য একটি বিশেষ পোর্টাল চালু করেছে।

ইউএসসিআইএস জানিয়েছে, বর্তমানে যারা এইচ-১বি ভিসাধারী, তাদের দেশে যাতায়াতে কোনো বাধা নেই। সংস্থার ভাষায়, এই প্রোক্লেমেশন শুধুমাত্র নতুন এইচ-১বি আবেদনগুলোর জন্য প্রযোজ্য, যা ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখ রাত ১২টা ১ মিনিটের পর থেকে করা হয়েছে এবং আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অবস্থান করছেন।

ট্রাম্প প্রশাসন জানায়নি যে কোনো নির্দিষ্ট খাত বা পেশাকে আগাম ছাড় দেওয়া হবে কি না। তবে জানানো হয়েছে, যদি কোনো কর্মীর উপস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বার্থে হয় এবং তার বিকল্প কোনো মার্কিন নাগরিক না থাকে, তবে নিয়োগদাতারা ফি মওকুফের আবেদন করতে পারবেন।