নিউইয়র্ক     বৃহস্পতিবার, ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ  | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শেষ পেরেক ঠোকো

পরিচয় ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ জানুয়ারি ২০২৪ | ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৪ | ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
শেষ পেরেক ঠোকো

পুরুষ তো একজন মগ্নমন দোনাতেলো,

একজন মাইকেল্যাঞ্জেলো —

গোপন অ্যটালিয়ায় ভাঙে আর গড়ে

নক্ষত্রের মতো শরীর জ্যামিতি আলো।

 

কারে তুমি চাও — পিকাসোর ফার্নান্দো অলিভার,

দেবীপা নাকি ডোরম্যাটস;

রবীন্দ্রনাথের নারী — কুয়াশা পর্দা ঘেরা রহস্যমুখ!

শ্যামলী বিকেল ফেলে ফিরিঙ্গি বিকিনি ঊরু —

নাকি ঢেকি পারানীর কালো কোমরের নদী।

 

পুরুষ তো একজন মগ্নমন দোনাতেলো, মাইকেল্যাঞ্জেলো।

গোপন অ্যটালিয়ায় ভাঙে আর গড়ে

নক্ষত্র জ্যামিতি আলো।

বাইরের রূপের সঙ্গে মিলে গেলে অন্তরতম মুখ

ভাস্কর থামায় , হাতুড়ি, বাটালি, রাঁদা।

হতে পারে একুশে বা ষাটে—

নাও হতে পারে আজন্ম কবন্ধ হাতে।

বিনয়ের ‘ফিরে এসো চাকা’ — জানি সে অলীক নারী

পালকের বালিশে বিভোর কাদিরের প্রগতযৌবন

নাদিরা, নাদিরা বলে কাঁন্দে।

‘ফিরে এসো চাকা’ ইন্দ্রধনুর কাব্য।

 

আধেক ভাস্কর্য ফেলে মাইকেল্যান্জেলো ছেড়েছিল ফ্লোরেন্স,

দোনাতেলোর ছিল ‘নন-ফিনিতো’ শিল্প অভিসার,

চসারের ক্যান্টারবেরি টেলস কখনো হয়নি লেখা শেষ,

কাফকা চেয়েছিল অসম্পূর্ণ লেখাগুলো তার
পুড়িয়ে ফেলা হোক।

কী কথা লিখেছিল কৃষ্ণকথার শেষ পৃষ্ঠার শ্লোক।

ডিডি ও গোগোর মতো অনেক অপেক্ষা হলো

এবার ডেইজি ফুলে ঢাকা কাসকেডে শেষ পেরেকটা ঠোকো।

 

শেয়ার করুন