১লা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

আইপিএল থেকে মুস্তাফিজ বাদ, কী প্রভাব ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে?

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের নির্দেশে বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে খেলানো হবে না আইপিএলে। এর কী প্রভাব পড়বে ক্রিকেট ও রাজনীতিতে?

আগামী মৌসুমের আইপিএলে খেলার জন্য কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে নিয়েছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে। এ জন্য আক্রমণের মুখে পড়েন দলের কর্ণধার, বলিউড অভিনেতা শাহরুখ খান।

বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে দলে নেওয়ার জন্য ভারতে তুমুল সমালোচনা শুরু হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা এবং ভারত-বিরোধী মনোভাবের অভিযোগ তুলে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় সংগঠন কড়া প্রতিক্রিয়া জানায়।

উত্তরপ্রদেশের বিজেপি নেতা সঙ্গীত সোম এবং আধ্যাত্মিক গুরু দেবকীনন্দন ঠাকুর-সহ অনেকেই বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তোলেন। তাদের মতে, প্রতিবেশী দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের পেছনে বিশাল অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ ভারতীয়দের ভাবাবেগকে আঘাত করছে।

৯ কোটি ২০ লক্ষ টাকা দিয়ে মুস্তাফিজুরকে দলে নিয়েছিল নাইট রাইডার্স। ১৫ শতাংশ টাকা অগ্রিম হিসেবে দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। এর পরে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের নির্দেশে কলকাতা নাইট রাইডার্স ঘোষণা করে, তারা ছেড়ে দিচ্ছে বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে। এর পরেও বিতর্ক থামেনি।

এই ঘটনার ফলে ভারত-বাংলাদেশের ক্রিকেট-সম্পর্ক টানাপড়েনের মধ্যে পড়ে গেল। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গত শুক্রবার ঘোষণা করেছিল, আগামী সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফর করবে ভারত। যদিও এ নিয়ে কিছু বলেনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। মুস্তাফিজুরের বিদায়ের ফলে এই সফর ঘিরে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন পড়ে গিয়েছে। এ ছাড়া, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ভারতে মাটিতে বাংলাদেশের ম্যাচ খেলার কথা। সেই ম্যাচগুলি শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার দাবি উঠেছে ওপার থেকে।

কূটনীতির ময়দান থেকে খেলার মাঠে : বিষয়টি আর খেলার মাঠে সীমাবদ্ধ নেই, তা সরাসরি রাজনীতির ময়দানে গড়িয়েছে। শিবসেনার (ইউবিটি) মতো দলগুলো সরাসরি দাবি জানিয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের ভারতের মাটিতে খেলতে দেওয়া উচিত নয়। অন্য দিকে, কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের মতো দলগুলোর মতে, খেলাধুলা ও রাজনীতিকে এক করা অনুচিত। তারা মনে করে, ব্যক্তিগতভাবে খেলোয়াড়দের টার্গেট করা আন্তর্জাতিক ক্রীড়া শিষ্টাচারের পরিপন্থী।

তবে কংগ্রেস নেতা ও সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শশী থারুরের বক্তব্য, “এভাবে ক্রিকেটের রাজনীতিকরণ করা ঠিক নয়। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর যে ন্যক্কারজনক হামলা হচ্ছে, তার বোঝা খেলার ওপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত হবে না।”

কেরলের এই নেতার ভাষায়, “আমাদের নিজেদের জিজ্ঞাসা করা দরকার, মুস্তাফিজুরকে বাদ দিয়ে আমরা আসলে কাকে শাস্তি দিচ্ছি? একটি দেশকে, একজন ব্যক্তিকে, নাকি তার ধর্মকে? খেলাধুলাকে এমন অন্ধ রাজনীতির দিকে ঠেলে দিলে আমাদের ভবিষ্যৎ কী?”

মুস্তাফিজুরের পক্ষে সওয়াল করে থারুর বলেন, “মুস্তাফিজুরের জায়গায় যদি লিটন দাস বা সৌম্য সরকারের মতো কোনো হিন্দু ক্রিকেটারকে এভাবে বাদ দেওয়া হতো, তবে আমাদের প্রতিক্রিয়া কী হতো? মুস্তাফিজুর একজন পেশাদার খেলোয়াড়। বাংলাদেশের হিংসাত্মক ঘটনার সঙ্গে তার কোনো দূরতম সম্পর্কও নেই। তার বিরুদ্ধে কোনো উস্কানিমূলক ভাষণ বা অপরাধের অভিযোগ নেই।”

মুস্তাফিজুরের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা : মুস্তাফিজুরকে অব্যাহতি দেওয়া নিয়ে ক্রীড়া সাংবাদিক রূপক সাহা ভিন্নমত পোষণ করছেন। শশী থারুরের মতো ব্যক্তিত্বরা একে ‘ক্রিকেট ও রাজনীতির সংমিশ্রণ’ বলে অভিহিত করলেও, রূপক সাহা বিষয়টিকে মূলত খেলোয়াড়ের নিরাপত্তা এবং জনরোষের প্রেক্ষাপট থেকে দেখছেন।

রূপক সাহা ডিডাব্লিউকে বলেন, “বিসিসিআই মুস্তাফিজুরকে নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি। বাংলাদেশে বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ভারতে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে তীব্র ক্ষোভ বা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তার আঁচ মাঠে পড়তে পারতো। আইপিএলের বিভিন্ন ভেন্যুতে খেলার সময় মুস্তাফিজুরকে জনরোষের মুখে পড়ার হাত থেকে রক্ষা করতেই বিসিসিআই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি কোনো রাজনৈতিক বদলা নয়, বরং একজন পেশাদার খেলোয়াড়ের নিরাপত্তার স্বার্থে নেওয়া সময়োপযোগী পদক্ষেপ।”

রূপক বলেন, “এই বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) চিন্তিত এবং তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করছে। এর সঙ্গে ভারত ও বাংলাদেশের ক্রিকেটের স্বার্থ যুক্ত রয়েছে। বিশ্বকাপের মতো বড় আসর বয়কট করা বা ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা বাংলাদেশের মতো উদীয়মান ক্রিকেট শক্তির পক্ষে সহজ হবে না, কারণ এতে তাদের বিশাল আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।”

তাঁর মতে, “খেলাধুলায় রাজনীতি আসা কাম্য নয়, তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির প্রভাব মাঠের ভিতরেও পড়ে। মুস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়া একটা সাময়িক পরিস্থিতি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই উত্তেজনা প্রশমিত হবে।”

ক্রিকেট ইস্যুতে পাকিস্তানের ঘটনার পুনরাবৃত্তি : বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের নিয়ে এই টানাপড়েন এক পুরনো স্মৃতিকে উসকে দিচ্ছে। ২০০৮ সালে মুম্বইয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর থেকেই ভারত ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সম্পর্ক একপ্রকার বিচ্ছিন্ন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সাল থেকে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের জন্য আইপিএলের দরজা পাকাপাকিভাবে বন্ধ করে দিয়েছে বিসিসিআই।

কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা এবং ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর মতো পরে ভারত-পাক ক্রিকেট সম্পর্ক যখন আরও তলানিতে ঠেকেছে, তখন বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। মুস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি পাকিস্তানের মতো বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ক্ষেত্রেও একই কঠোর অবস্থান নিচ্ছে বিসিসিআই?

ক্রিকেট ঘিরে এই রাজনীতি প্রসঙ্গে দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ মইদুল ইসলাম ডিডাব্লিউকে বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ায় ক্রিকেটারদের ওপর রাজনীতির প্রভাব নতুন কোনো ঘটনা নয়। পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের আইপিএল-এ ডাকা বন্ধ হয়ে গিয়েছে সেই কবে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবনতির প্রভাব ক্রিকেটেও এসে পড়েছে। বিসিসিআই-এর সিদ্ধান্তের পিছনেও রাজনৈতিক ভাবনা কাজ করছে।”

মইদুল মনে করেন যে, এই সিদ্ধান্তের পিছনে পশ্চিমবঙ্গের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিরও একটি ভূমিকা থাকতে পারে। তার মতে, “মুস্তাফিজুরের কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলার কথা ছিল, যে ফ্র্যাঞ্চাইজিকে পশ্চিমবঙ্গ সরকার সরাসরি সমর্থন করে। নির্বাচনের আগে মুস্তাফিজুরকে দলে রাখা হলে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা এটিকে ‘দেশদ্রোহিতা’ বা ‘অ্যান্টি-ন্যাশনাল’ বলে প্রচার করতে পারতো। ক্রিকেটাররা কোনো অপরাধ বা জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও রাজনীতিতে তারা বরাবরই ‘সফট টার্গেট’ হয়ে পড়েন।” চলতি রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী মুস্তাফিজুরের অপসারণকে স্বাভাবিক বলে মনে করছেন চিন্তাবিদ ও প্রাবন্ধিক আশিস লাহিড়ি।

তিনি ডিডাব্লিউকে বলেন, “খেলাধুলা এবং রাজনীতিকে তাত্ত্বিকভাবে আলাদা রাখা হলেও, বাস্তবে এই দুটি বিষয় প্রায়ই একে অপরের সঙ্গে মিশে যায়। অলিম্পিকের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় যে, বর্ণবৈষম্য বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বারবার প্রতিবাদের ঘটনা ঘটেছে।”

তার মতে, “আদর্শগতভাবে খেলা এবং রাজনীতিকে পৃথক সত্তা হিসেবে বিবেচনা করা হলেও, চিরকালই এদের মধ্যে একটি নিবিড় যোগসূত্র রয়ে গিয়েছে। আজকের পৃথিবীতে কোথাও সূক্ষ্মভাবে, আবার কোথাও উগ্রভাবে খেলাকে রাজনীতির স্বার্থে ব্যবহার করা হয়। যখন দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকে, তখন এই ধরনের সংঘাতমূলক পরিস্থিতি তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।”

তাই মুস্তাফিজুর বাদ পড়াতে বিস্মিত নন আশিস। বলেন, “ঘটনাগুলো অনভিপ্রেত হলেও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে আমি এতে অবাক বোধ করছি না। খেলাধুলো এবং রাজনীতির এই জটিল রসায়ন চলতি সময়েরই প্রতিফলন। তাই ক্রীড়া সংস্কৃতি নষ্ট হওয়ার আক্ষেপ না করে পরিস্থিতির বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া প্রয়োজন।”

কূটনীতিতে অসহিষ্ণুতার প্রভাব : বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও প্রাবন্ধিক পবিত্র সরকারের চোখে মুস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি ডিডাব্লিউকে বলেন, “ভারত-পাকিস্তান সামরিক সংঘর্ষের পরে মাঠে খেলোয়াড়দের করমর্দন না করা বা আইপিএল থেকে বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। উত্তর ২৪ পরগনার শ্যামনগরের বইমেলা থেকে বাংলাদেশের বই সরিয়ে দেওয়া বা স্টল বন্ধ করার পদক্ষেপ অসহিষ্ণুতার প্রকাশ।”

তার মতে, “কিছু মানুষ দুই দেশেই অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করলেও, উভয় দেশেই সচেতন এবং সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ এই বিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন এবং সম্প্রীতি বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। রাজনৈতিক বা যুদ্ধের পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের জায়গা রয়েছে, তা কোনোভাবেই নষ্ট হতে দেওয়া উচিত নয়।”

মইদুলের মতে, “রাজনীতির কারণে ক্রিকেটারদের ওপর বারবার এই খাঁড়া নেমে আসা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই ঘটনা বাংলাদেশে ভারত-বিরোধী মনোভাবকে আরও উসকে দিচ্ছে। বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সম্পর্কের উন্নয়নের চেষ্টা করলেও এ ধরনের সিদ্ধান্তগুলো পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। এখন আমাদের দেখতে হবে, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের পরে এবং বাংলাদেশে পরবর্তী সময়ে কী ধরনের সরকার গঠিত হয়। তার ওপর ভিত্তি করেই দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারিত হবে।”

ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত ডিডাব্লিউকে বলেন, “বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে যে ধরনের তিক্ততা তৈরি হচ্ছে, আমি তার কোনো যুক্তি দেখি না। আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট ইস্যু নিয়ে সমস্যার সম্মুখীন রয়েছি ঠিকই, কিন্তু সেই ইস্যুটিকে বাড়িয়ে যদি সব ক্ষেত্রে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, তবে কোনো দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কই টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এখন দুই পক্ষকেই কিছুটা মাথা ঠান্ডা রাখতে হবে।”

তাঁর মতে, “খেলাধুলোর মধ্যে যখন আমরা রাজনীতিকে ঢুকিয়ে দিচ্ছি, সেটি মোটেও ইতিবাচক নয়। অতীতে আমরা পাকিস্তানের সঙ্গে এমনটা করেছি। কিন্তু পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের যে সম্পর্কের সমীকরণ, তাকে বাংলাদেশের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না। সংখ্যালঘু ইস্যু নিয়ে ভারত যে বাংলাদেশের ওপর বিরক্ত, সেটা আমরা জানি। কিন্তু সেটাকে এত বড় করে খেলার মাঠে টেনে আনার কোনো যৌক্তিকতা আমি দেখি না।”

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক ইমনকল্যাণ লাহিড়ি ডিডাব্লিউকে বলেন, “দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে বাংলাদেশ নিয়ে ভারত যথেষ্ট সতর্ক রয়েছে। সে দেশে নির্বাচন হওয়ার পরে তেমনভাবে ভারত বিরোধিতা আর দেখা যাবে বলে আমার মনে হয় না। ধীরে ধীরে সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে। বিদেশমন্ত্রী এমন ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন। একই সঙ্গে খেলাধুলোর মতো বিষয়গুলিও ঠিকঠাক হয়ে যাবে।”- সংবাদসুত্র জার্মান বেতার ডয়চে ভেলে