


বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন ধরনের কাঁটাতারের বেড়া স্থাপনের পরিকল্পনা করছে ভারত। রোববার (৩০ নভেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ত্রিপুরা ফ্রন্টিয়ারের ইন্সপেক্টর জেনারেল অলোক কুমার চক্রবর্তী।
ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইকে অলোক কুমার জানান, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ৪ হাজার ৯৬ কিলোমিটার আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে ত্রিপুরার সঙ্গে রয়েছে ৮৫৬ কিলোমিটার সীমান্ত। তবে বেশিরভাগ জায়গায় কাঁটাতারের বেড়ার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, অতিবৃষ্টির কারণে ত্রিপুরায় আন্তর্জাতিক সীমান্তের বেড়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই নতুন করে বেড়া স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার নতুন নকশার প্রস্তাব কেন্দ্রের বিবেচনাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
অলোক কুমার দাবি করেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের পরিস্থিতি ‘স্বাভাবিক’। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী এবং বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী (বিজিবি) এর মধ্যে সম্পর্ক অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ এবং সহযোগিতামূলক।
আমাদের দেশে বড়লোক তারা, যারা ব্যাংকের ঋণ নিয়ে ফেরত দেয় না: জ্বালানি উপদেষ্টা তবে উপদেষ্টার এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ব্যবসায়ীরা বলেছেন, টাকা পাচার ও বিত্তবান হওয়ার দৌড়ে কেবল ব্যবসায়ীরা নন, আমলারাও জড়িত।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিডা ভবনে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রায় ৫০ জন শীর্ষ ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে উপদেষ্টা এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিডা ও বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান দেশের বেসরকারি খাতের বিকাশকে ক্রোনি ক্যাপিটালিজম (স্বজনতোষী পুঁজিবাদ) হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ‘আমাদের দেশের বেসরকারি খাত ক্রোনি ক্যাপিটালিজমের মাধ্যমে বিকশিত হয়েছে—যে আপনার সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক থাকে। আমাদের দেশে বড়লোক কারা? যারা ব্যাংকের ঋণ নিয়ে দেয় না। সম্পদশালী কারা? যারা গ্যাস বিল দেয় না, বিদ্যুৎ বিল দেয় না।’
তবে এই পরিস্থিতির জন্য তিনি এককভাবে ব্যবসায়ীদের দায়ী করতে চাননি। তিনি বলেন, ‘ক্রোনি ক্যাপিটালিজমের জন্য আমি বেসরকারি খাতকে দোষ দেব না, আপনাদের দোষ দিতে চাই না—সিস্টেমই ছিল এমন।’ উপদেষ্টা আরও বলেন, ব্যবসায়ীরা মূলত পণ্য উৎপাদন ও উদ্ভাবনের মাধ্যমেই সম্পদ গড়ে তোলেন। বেসরকারি খাতের জন্য আরও সুযোগ উন্মুক্ত করে দেবে সরকার।
বক্তব্য শেষ করে উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠকে যোগ দিতে ফাওজুল কবির খান অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। উপস্থিত ব্যবসায়ীদের মধ্যে তখন প্রশ্ন করার জন্য হাত তোলা হয়। ফাওজুল কবির খান চলে যাওয়ার পরই অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, ‘উপদেষ্টা থাকলে ভালো হতো। বাংলাদেশে বিত্তবান কারা হয়েছেন—আমরা শুধু ব্যবসায়ীরা না, আমলারাও হয়েছেন। এ কথা বলা হয় না। টাকা পাচার আমলারা বেশি করেছেন। ব্যবসায়ীরা এ দায় নিতে চায় না।’
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে উদ্দেশ করে নাসিম মঞ্জুর আরও বলেন, ‘ব্যবসায়ী যারা টাকা চুরি করে, গ্যাস চুরি, বিদ্যুৎ চুরি করে—তাদের ধরেন। ওনাদের দায় আমরা নিতে চাই না।’
—













