নিউইয়র্ক     বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ  | ৯ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র ও রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফের ফোনালাপ

পরিচয় ডেস্ক

প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২২ | ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২২ | ০৪:৪৮ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
যুক্তরাষ্ট্র ও রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ফের ফোনালাপ

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ‘মৌলিক পার্থক্য হলো যে ইউক্রেনীয়রা তাদের দেশ, তাদের জমি, তাদের ভবিষ্যতের জন্য লড়াই করছে। রাশিয়ার ক্ষেত্রে বিষয়টি তা নয়। এখন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন যত তাড়াতাড়ি এটি বুঝে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্তে আসবেন, তত তাড়াতাড়ি আমরা এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সক্ষম হব।’

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে দুই মেরুতে অবস্থান নেয়া দুই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার প্রতিরক্ষা প্রধান টেলিফোনে কথা বলেছেন। রাশিয়া চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর দুই নেতার মধ্যে এটি দ্বিতীয় বারের মতো কথোপকথন। টেলিফোনে দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই মন্ত্রীর আলোচনার কিছু বিষয় ইতোমধ্যে মিডিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে।

আল-জাজিরা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন ও প্রতিপক্ষ রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগুর শুক্রবার টেলিফোনে পরস্পরের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কথোপকথনে চলমান ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। দুই দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ই নিশ্চিত করেছে যে, আলোচনাকালে উভয় পক্ষই যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে পারস্পরিক যোগাযোগ ও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টিতে জোর দিয়েছেন।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘লয়েড অস্টিনের পক্ষ থেকে আলোচনার সূচনা হয়। আলোচনায় ইউক্রেনের পরিস্থিতিসহ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলো স্থান পায়। এদিকে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে ক্রেমলিনপন্থি কর্মকর্তারা বলেছেন, ইউক্রেনের বাহিনী অগ্রসর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর খেরসনকে তারা একটি ‘দুর্গে’ পরিণত করছে।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কিয়েভের বাহিনী এই অঞ্চলের প্রধান শহর খেরসনের দিকে ডিনিপার নদীর পশ্চিম তীর ধরে অগ্রসর হচ্ছে। ইউক্রেন শুক্রবার দাবি করে, সেপ্টেম্বরে খেরসন পুনরুদ্ধারের জন্য আক্রমণ শুরুর পর থেকে তারা এই অঞ্চলের মোট ৮৮টি শহর ও গ্রাম পুনরুদ্ধার করেছে।

যুদ্ধ বন্ধ নির্ভর করছে পুতিনের ওপর

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, ‘ওয়াশিংটন এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রমাণ দেখেনি যে রাশিয়া ইউক্রেনে তার আগ্রাসনের অবসান ঘটাতে আগ্রহী। পরিবর্তে তারা অধিকৃত অঞ্চলে হামলার মাত্রা দ্বিগুণ এমনকি ক্ষেত্রেবিশেষে তিন গুণ বাড়িয়েছে।’

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্যাথরিন কোলোনার সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ব্লিঙ্কেন এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘মৌলিক পার্থক্য হলো যে ইউক্রেনীয়রা তাদের দেশ, তাদের জমি, তাদের ভবিষ্যতের জন্য লড়াই করছে। রাশিয়ার ক্ষেত্রে বিষয়টি তা নয়। ‘এখন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন এটি যত তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবেন এবং সে অনুযায়ী সিদ্ধান্তে আসবেন, তত তাড়াতাড়ি আমরা এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে সক্ষম হব।’

শেয়ার করুন