নিউইয়র্ক     বৃহস্পতিবার, ১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ  | ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি স্ট্রেট থেকে পাওয়া যাবে খলিল বিরিয়ানী -সেলিব্রেটি শেফ খলিলুর রহমান

পরিচয় ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১১:৩৬ অপরাহ্ণ | আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ১১:৩৬ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি স্ট্রেট থেকে পাওয়া যাবে খলিল বিরিয়ানী -সেলিব্রেটি শেফ খলিলুর রহমান

“নিউইয়র্কের সেলিব্রেটি শেফ খলিলুর রহমান। যিনি খলিল বিরিয়ানি ও খলিল ফুডের প্রতিষ্ঠাতা। তার বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন সাপ্তাহিক পরিচয়ের সম্পাদক নাজমুল আহসানের সাথে যা সাপ্তাহিক পরিচয়ের ডিজিটাল ভার্সনে প্রচারিত হয়েছে। সাক্ষাৎকারটি হুবহু তুলে ধরা হলো।”

প্রশ্ন: শেফ খলিলুর রহমান আমরা যাকে খলিল ভাই বলে জানি। নিউইয়র্কে সবাই তাকে শেফ খলিল হিসেবে জানেন। অত্যন্ত খুব অল্প সময়ে যিনি কমিউনিটিতে সাড়া ফেলেছেন একজন শেফ হিসেবে। নিজস্ব একটা ব্যান্ড তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং আজকে তিনি সারা বিশ^জুড়েই বিশেষ করে আমরা যারা যুক্তরাষ্ট্রে আছি শুধু আমরা নই সারাবিশ^ জুড়েই একজন শেফকে আমেরিকায় যদি কোনো বাঙ্গালি শেফ এর কথা বলা হয় প্রথমে সবাই স্মরণ করেন আমাদের খলিল ভাইকে। সেই খলিল ভাই একটা মহা-পরিকল্পনা নিয়েছেন। শুধু খলিল ব্যান্ড নয়, খলিলের বিরিয়ানী নয়, খলিলের রান্না নয়, তিনি খলিল একটি ব্যান্ড। এই ব্যান্ড এর মাধ্যমে আমাদের খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে জীবন-যাপনের বিভিন্ন বিষয় তার একটা প্রভাব রাখার চেষ্টা তিনি করছেন এবং এর জন্য তিনি সূদুর প্রসারিত পরিকল্পনা নিয়েছেন বলে আমাকে জানিয়েছেন।

এই বিষয়ে তার সাথে আজকে আমরা বিস্তারিত কথা বলবো এবং তার বর্তমানে যে খলিল বিরিয়ানির দুইটি আমরা জানি। যা বঙ্কসে একটি যেখান থেকে খলিল বিরিয়ানীর যাএা শুরু এবং পরবর্তীতে তিনি জ্যামাইকাতে এসেছেন জ্যামাইকাতেও একটি শাখা খুলেছেন এবং জ্যামাইকাবাসীর বেশ তিনি সাড়া ফেলেছেন জ্যামাইকাতে। এই বিষয়ে খলিল ভাই এর কাছে জানতে চাইবো, বর্তমানে যে খলিল বিরিয়ানীর দুইটি শাখা, দুইটি ব্রাঞ্চ, দুইটি স্থান থেকে সেবা করা হয়। খাওয়ার বিভিন্ন ধরনের এবং আপনারা জানেন, সেলিবেটি শেফ এর বাইরেও খলিল ভাই এর আলাদা আরেকটি পরিচয় আছে। বাংলাদেশের জানা-অজানা সব বিখ্যাত-অবিখ্যাত কম পরিচিত বেশি পরিচিত সবাই অন্তত একবার হলেও খলিল বিরিয়ানীর খাবার খেয়েছেন তাদের সে অভিজ্ঞতা আছে। আর লেখক-সাংবাদিকও আছে, রাজনীতিবিদও যেমন আছেন, আইনজীবিও আছেন, চিকিৎসক আছেন এবং সর্বশেষ প্রধান বিচারপতি যিনি আজকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হলেন। আমি আজকে এসে জানলাম তিনিও খলিল বিরিয়ানীতে খাবার খেয়েছেন। খাবার খেয়ে গেছেন। যাই হোক খলিল ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনি এবার আপনার ব্যবসার বর্তমান যে অবস্থা সেই সর্ম্পকে প্রথমে আমাদের বলবেন। এরপরে আমরা জানতে চাইবো আপনার ভব্যিষৎ পরিকল্পনা।

খলিলুর রহমান ঃ ধন্যবাদ নাজমুল ভাই আপনাকে। পরিচয় আমাদের দীর্ঘদিন যাবৎ অনেকটা সেবা প্রদান করে আসছে। আসলে খলিল বিরিয়ানির আজকের এই সুখ্যাতির জন্য আপনাদের ভূমিকা এবং অবদান সারাজীবন মনে রাখার মতো। আমি চেষ্টা করেছি, আমাদের বাংলাদেশী ফুড, বাংলাদেশী কালচার আমাদের এই রেষ্টুরেন্টের মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য। এটা এই পদ্ধতি এ্যাপলাই করে আমি অনেক সুনাম-সুখ্যাতি এই নিউইয়র্ক এর ভিতরে করতে পেরেছি, পাশাপাশি সমস্ত আমেরিকা জুড়ে আমাদের একটা ভালো সুনাম তৈরি হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় খলিল বিরিয়ানী দায়বদ্ধতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন স্টেট থেকে আমাদের কে রিকোয়েষ্ট করে যে আমরা নিউইয়র্কে যেতে পারিনা, আমরা কি খলিল বিরিয়ানী খেতে পারবো না? অনেকে আসেন অনেক দূর-দূরান্ত থেকে। অনেক কষ্ট করে আসেন।

সবচেয়ে মজার বিষয় হলো লাস্টে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে একটা বড় মাইক্রোবাস ভাড়া করে ১৩ জন আমার এখানে যখন আসলো। শুধু মাত্র খলিল বিরিয়ানীর এত সুনাম শুনি আমরা একটু গ্রহন করতে চাই খলিল বিরিয়ানী। ওনারা সকাল প্রায় লাঞ্চ করলো ডিনার করার পরে আবার অনেক খাবার নিয়ে ওরা চলে গেলো এবং রিকুয়েষ্ট করছিলো যে, আমরা যেনো আমাদের জায়গায় বসে কিভাবে পেতে পারি সে ব্যবস্থা করতে। ইনশাআল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমি অনেকদিন প্রচেষ্টা করে আমি দীর্ঘ প্রায়ই একবছর প্রচেষ্টা করে এখন একটা সুন্দর ফরমেট করতে পেরেছি। যে এখন ৫০টা স্টেটে বসে খলিল বিরিয়ানীর যে কোন খাবার অর্ডার করে খেতে পারবেন এবং আমরা খুবই সাকসেসফুলি এটা পরিবেশন করতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের প্রতিদিনই এখন খাবার যাচ্ছে।

প্রশ্ন:: কয়দিনের মধ্যে পাবে তারা?

খলিলুর রহমান ঃ ৩ দিন।

প্রশ্ন:: ৩দিনের মধ্যে পাবে, তাই না।

খলিলুর রহমান ঃ এবং এই খাবারটা সবচেয়ে মজার বিষয় ফ্রিজিং, নরমাল ফ্রিজ এবং ডিপ ফ্রিজ করে ৪৫দিন পর্যন্ত ভালোভাবে খেতে পারবে।

প্রশ্ন:: আপনার সব মেনু আইটেম?

খলিলুর রহমান ঃ নিদিষ্ট একটা মেনু আইটেম আমরা ওয়েবসাইটে দিয়ে রাখছি। প্রায় তাও মেইন মেইন খাবার গুলো। আমাদের বিরিয়ানী, আমাদের বাংলাদেশী ফিস কারী আইটেম, কিছু চাইনিজ আইটেম।

প্রশ্ন:: যুক্তরাষ্টের যেকোনো স্থান থেকে যদি কেউ অর্ডার করে তাহলে সে তিন দিনের মধ্যে খলিল বিরিয়ানীর খাবার পাবে?

খলিলুর রহমান ঃ ৩দিন। ২/৩ দিনের মধ্যে তাদের হাতে খাবারটা পৌঁছে যাবে।

প্রশ্ন: : যখন তাদের হাতে খাবারটা পৌঁছাবে তখন তারা কিভাবে এটা প্রিপেয়ার করবে?

খলিলুর রহমান ঃ এটা আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তারা অর্ডার করবে। অর্ডার করার পরে, সঙ্গে সঙ্গে অর্ডারটা আসবে। আমরা যেদিন অর্ডারটা পাবো, পরের দিন আমরা শিপিং করবো। এবং শিপিং করার পর থেকে ২/৩ দিনের মধ্যে তাদের হাতে খাবার পৌঁছে যাবে।

প্রশ্ন: : ওখানে পৌছার পর তারা কিভাবে এটা প্রিপেয়ার করবে এরকম ইনস্ট্রাকশন থাকবে সাথে?

খলিলুর রহমান ঃ সাথে সব ইনস্ট্রাকশন আছে। লেখা আছে সুন্দর ভাবে। তারা নরমাল ফ্রিজ ৭দিন এবং দেখা যাচ্ছে ডিপ ফ্রিজে ৪৫ দিন পযর্ন্ত এই খাবারটা রাখবে। শুধুমাত্র ফ্রিজ থেকে বের করে ওভেনে গরম করবে। সুন্দর, একেবারে ফ্রেশ সজিব। এখানে বসে যে খাবারটা খাচ্ছে সেই খাবারটাই।

প্রশ্ন:: আপনার যে দুটি প্রতিষ্ঠান, দুটি স্থাপনার মাধ্যমে আপনি কমিউনিটিতে খলিল বিরিয়ানীর ব্যবসাটা অব্যাহত রেখেছেন। ভব্যিষতে হয়তো বাড়বে। এই দুটির অবস্থা কি?

খলিলুর রহমান ঃ আলহামদুলিল্লাহ আপনারা জানেন যে, রোজার মাসের পর সামার আসলো। গত রমজানে আমরা সবোর্চ্চ ইফতারি আমাদের কমিউনিটিতে সার্ভিস দিতে সক্ষম হয়েছি।

এই সামারে আমরা সর্বোচ্চ ক্যাটারিং সার্ভিস দিতে সক্ষম হয়েছি। আমরা বিভিন্ন বড় বড় যতগুলো সংগঠন আছে প্রায়ই মোস্ট অব দ্য সংগঠনে আমাদের খাবার দিয়েই তাদের পিকনিকটা হয়েছে। পাশাপাশি ঘরোয়া বিয়ে, জন্মদিনসহ নানান অনুষ্ঠানেই আমাদের খাবার যাচ্ছে। পাশাপাশি আমাদের এখানে কিন্তু প্রচুর কাস্টমার আসে। আমাদের দুইটি ব্রঙ্কসে ব্রাঞ্চে চাইনিজ এবং বিরিয়ানী হাউজে প্রায়ই ২০০ এর উপরে মানুষ একটাইমে বসতে পারে।

অনেক সময় আমরা কিন্তু এই সিটেই আমরা জায়গা দিতে পারি না। পাশাপাশি আমরা জামাইকা নতুন ব্রাঞ্চ। আপনারা জানেন যে রিসেন্ট আমরা যেখানে করেছি এটা ছোট, নিচের দিকে ছোট জায়গা হলেও আমরা উপরে বসার একটা পরিবেশ করেছি। এতে করে অনেকে যখন ফ্যামিলি নিয়ে যাচ্ছে, ওখানে বসাইয়াও কিন্তু আমরা তাদের সুন্দরভাবে সার্ভিস দিতে সক্ষম হচ্ছি।

প্রশ্ন: সবাইতো শেফ খলিলুর রহমানের খাবার খেতে আসে। এখন শেফ খলিলুর রহমান তো যখন ব্রঙ্কসে থাকে তখন দুনিয়া জ্যামাইকা থাকেন না। তো এই প্রসেসটা আপনি কিভাবে সব সময় একই রকম যেকোনো ব্রাঞ্চে গেলে একই রকম খাবার খেতে পারবে? শেফ খলিলুর রহমানের খাবার খেতে পারবে। এইটা কিভাবে আপনি করবেন?

খলিলুর রহমান ঃ এই বিষয়ে আমার একটা কথা, দেখেন একজন ভালো স্টুডেন্ট, একজন ভালো টিচার অনেক ভালো স্টুডেন্ট তৈরি করতে পারে। একজন ভালো স্টুডেন্ট কিন্তু অনেক ভালো স্টুডেন্ট তৈরি করতে পারে না। সে নিজেই ভালো কিছু করতে পারে।

আমি যখন নিজে কাজ করে একটা সুন্দর সিস্টেম দাড় করিয়েছি। এটাকে এখন আমি শিক্ষকের ভূমিকা নিয়ে এটাকে আরো দূর পরিসরে বহুদিন এটাকে জাগ্রত রাখার জন্য আমি এখন শিক্ষকের ভূমিকা পালন করছি। আমি আমার মতো শত শত খলিল তৈরি করার কাজ করছি। আপনার জানেন আমার এখানে ব্রঙ্কসে অনেক বড় পরিসরে আমি প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। শেফ, বিভিন্ন। দেখা যাচ্ছে ওয়েটার ওয়েটটেস থেকে শুরু করে কিচেনের যতধরনের কাজ আছে সেগুলো আমার হাতে কলমে শিখাচ্ছি এবং আমার রেসিপিটাকে আমার প্রতিভাকে এমন একটা পদ্ধতিতে নিয়ে আসতাসি দেখা যাচ্ছে আমাদের বাংলাদেশী কোনো রেষ্টুরেন্ট কিন্তু ফাঞ্চাইজ নাই। ইনশাআল্লাহ ভ্যরি সুন জানতে পারবেন খলিল বিরিয়ানীও একদিন ফাঞ্চাইজ হচ্ছে।

প্রশ্ন: : তার মানে আপনি নিজস্ব একটি মসলা সিস্টেম তৈরি করছেন?

খলিলুর রহমানঃ আমি এটা নিয়ে বিগত দেড় বছর ধরে কাজ করছি। এবং আমার আলহামদুলিল্লাহ অনেক সাকসেস। এটার শুরুতে একটু হোচট খেলেও এখন আমরা এটা নিয়ে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেয়েছি। প্রথমত আমি যখন এখানে এটা শুরু করছিলাম, এখানে সম্যাসা হলো আপনার জানেন লেবার কস্টিং অনেক বেশী তারপরে প্রসেসিং, স্টোরেজ। এতে করে আমার কস্টিংটা অনেক হাই হচ্ছিল। এজন্য অনেক চিন্তা করে আমি এই প্রসেসিংটা আমি বাংলাদেশে শিফট করেছি। বাংলাদেশে লেবার কস্টিং অনেক কম। আমি বর্তমানে বাংলাদেশে আমার স্পাইসি একটা ফ্যাক্টরী করছি। অলরেডি আমার স্পাইসি শুরু হয়ে গিয়েছি, আমার গুলোই আমি এখন প্রসেসিং করে নিয়ে আসি। আমার নিজস্ব ব্যান্ডে আমার রাইস আসছে, আমি আমার রাইস দিয়েই এখন টোটাল রেষ্টুরেন্টগুলো পরিচালনা করছি। পাশাপাশি আমার এখানে ডাইরেক ফ্রেশ ফার্ম থেকে আমি কিন্তু মিট সরবারহ করছি। সেভাবে আমি শুরু করেছি যাতে করে আমি আমার মানটা ধরে রাখতে পারি। পাশাপাশি স্পাইসী আমার ইনগ্রিডিয়ান প্যাকেজিং প্রসেসিং সবকিছু কিন্তু আমরা শুরু করেছি। এটা ভব্যিষতে আমরা খুব শ্রিঘই আমরা মার্কেটেও দিবো, শুধুমাত্র আমাদের রেষ্টুরেন্টে সীমাবদ্ধ থাকবে না। আমাদের রাইস সমস্ত খলিল ফুডস সমস্ত আমেরিকার সব জায়গায়। আমেরিকা না ইউরোপ এবং আমেরিকা নিয়ে আমরা কাজ শুরু করেছি। সব জায়গা আমাদের এই খলিল ফুডস এর স্পাইসি নানা ধরনের আইটেম আপনারা পাবেন।

প্রশ্ন: : তার মানে কেউ যদি রান্না শিখতে চায় খলিলের। একটু আগেই আপনি বললেন আপনি এখন রন্ধন কাজ শেখানোর কাজে ব্যস্ত বেশি। শিক্ষক হিসেবে। আপনার কি পরিমান ছাত্র আছে? এবং কেউ যদি শিখতে চায়? যেমন ধরেন অনেকের আগ্রহ আছে। আমাদের কমিউনিটিতে মহিলা-পুরুষ নির্বিশেষে তারা কিভাবে আপনার কাছ থেকে, আপনার ছাত্র হতে পারে। কিংবা আপনি কিভাবে তাদেরকে শিক্ষাদান এই খলিলের যে রেসিপি…

খলিলুর রহমান ঃ বর্তমানে আমার এখানে ইন্সটিটিউট নেই। তারপরও যারা শিখতে চায় আমাদের সঙ্গেই কাজের মাধ্যমে আমরা কাজ শিখাচ্ছি। আমাদের কাছে যারা আসে তার অধিকাংশই নতুন অবস্থায় আসে তারা কোনো কিছুই কিন্তু জানে না। তারা আসার পর তাদের আগ্রহর উপর নির্ভর করে কে কোথায় কাজ করতে পারবে সেভাবে কিন্তু আমরা প্রশিক্ষণ দিচ্ছি এবং বেতন তাদেরকে সেলারি দিয়েই আমরা তাদেরকে কাজ শিখাচ্ছি। আপনারা শুনলে অত্যন্ত আনন্দিত হবেন, আমার কাছে প্রশিক্ষণ নিয়ে এখন অনেক রেষ্টুরেন্টে প্রায়ই রেষ্টুরেন্টে গিয়ে দেখবেন খলিলে কাজ করছে, খলিলের সাথে কাজ করেছে তারা ভালো ভালো পজিশনে আছে। অনেক জায়গায় প্রধান শেফ হিসেবে আমার স্টুডেন্টরা কাজ করছে। অনেক জায়গায় ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছে, অনেক জায়গায় ওয়েটার হিসেবে কাজ করছে। আপনি বাঙ্গালী কমিউনিটি ছাড়াও অন্যান্য জায়গায়ও তারা ভালো করছে। অনেক ভালো ভালো জায়গায় তারা জব নিচ্ছে। মেলাটুনিয়ায় আমার স্টুডেন্ট প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন মেলাটুনিয়ায় বিভিন্ন রেষ্টুডেন্টে কাজ করছে। তারা কিন্তু খুবই সম্মানের সাথে ভালো বেতনে ভালো স্যালারিতে কাজ করছে। কেউ কেউ আবার নিজস্ব রেষ্টুরেন্ট দিয়েও সফলতা দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এটা হলো আমার একটা ভালো দিক, এবং আমি অনেক সম্মানও পাচ্ছি এবং আমি কাজটা করেও অনেক গর্ববোধ করছি।

প্রশ্ন ঃ আপনিতো একসময় নিউইয়র্কে ক্লিনার ইন্সটিটিউট রন্ধন, রান্না শেখানো যে ইন্সটিটিউটগুলো আছে সেখানে ছাত্র ছিলেন? নিজে কি একটি চালু করতে চাচ্ছেন?

খলিলুর রহমান ঃ হ্যা। ভব্যিষতে আমার শিক্ষাটাকে, আমার অর্জনটাকে আমি সারা জীবনের জন্য ধরে রাখার জন্য এটা আমার ইচ্ছা আছে। আমি এখানেও চেষ্টা করছি পাশাপাশি আমি বাংলাদেশেও একটা উন্নতমানের কালিনারি ইন্সটিটিউশন খোলার চেষ্টা করছি। সব যদি ঠিক থাকে ইনশাআল্লাহ ভ্যরি সুন ওটাও আমরা করবো। এবং বাংলাদেশেও আমি আমার খলিল বিরিয়ানীর একটা ব্রাঞ্চ করবো ইনশাআল্লাহ।

প্রশ্ন ঃ খলিল একটা রেষ্টুরেন্ট হবে বাংলাদেশে?

খলিলুর রহমান ঃ জি।

প্রশ্নঃ কোথায় হবে?

খলিলুর রহমান ঃ আমরা চেষ্টা করছি যেখানে দেখা যাচ্ছে সব ফরেনিয়াররা থাকে। যেমন, গুলশান বনানী বা বারীধারার আশেপাশে। প্রথমে একটা দিয়ে শুরু করতে চাচ্ছি।

প্রশ্নঃ আপনি একটু আগে জানালেন খলিল এগ্রো ফার্ম করবেন। খলিলের একটা নিজস্ব শাকসবজি আবাদ একটা উদ্যোগ আপনার আছে। এটার ব্যাপারে আপনি যদি কিছু বলেন?

খলিলুর রহমান ঃ আমি অলরেডি এটা নিয়ে কাজ করছি। কিন্তু‘ এখন আপনার এটার নিজস্ব কোনো ঠিকানা করতে পারছি না। কিন্তু অলরেডি এটা আমার প্রসেসিং এ আছে এবং আমার সেখান থেকে কাজে অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছি। ভ্যরি সুন ওটাও আমরা প্রকাশ করবো ইনশাল্লাহ। তবে আমরা একটা ফার্মের নিদির্ষ্ট ফার্ম থেকে আমাদের মিট গুলো সরবরাহ করছি এবং সেখানে প্রসেসিং হচ্ছে। যেটা দেখা যাচ্ছে গ্লাস ফিট বা অর্গানিক বা ফ্রেশ যেটা দেখা যাচ্ছে আমাদের বাংলাদেশের মতো। এভাবেই হচ্ছে ইনশাআল্লাহ। এটা আরো কিছুদিন পরে আমরা সবার সম্মুখে নিয়ে আসবো ইনশাআল্লাহ।

প্রশ্নঃ খলিল বিরিয়ানীর সবচেয়ে জনপ্রিয় আইটেম কোনটা?

খলিলুর রহমান ঃ বিরিয়ানী তো বটেই। আমাদের প্রত্যেকটা বিরিয়ানীর অন্যান্য যেকোনো রেষ্টুরেন্টের বিরিয়ানীর থেকে ভিন্ন আছে। টেষ্ট, হাইজেনিক, স্বাস্থস্ম¥ত, কোয়ালিটি এবং কোয়ানটিটি দিয়েই আমাদের বৈশিষ্ট্যটাকে ধরে রাখার চেষ্টা করি এবং সেটাও আছে।

এরপরেও আমাদের বর্তমানে আমি খলিল বিরিয়ানীকে ফিউশন করে। আমাদের বিরিয়ানি বাদেও আমাদের চাইনিজ অথেনটিক বাংলাদেশী স্বাদটা দেওয়ার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি এখন আপনার রিসেন্ট আমি ফুড কোডের মাধ্যমে গ্রীল যেটা এখন সবচেয়ে হট আইটেম হলো আমাদের ফিউশন করে আমি টার্কিজ গ্রীলটা করছি। আমাদের এই গ্রীলের বৈশিষ্ট্য হলো, স্বাস্থ্যসম্মত হেলদি খাবার দেওয়া। সরাসরি আমাদের ল্যামচপ, আমাদের ফিস, আমাদের একটা রোটেশ^রী গ্রিল যেটা বাংলাদেশে যেটা আছে। এটা একবার যে খাবে শুধু নিউইয়র্ক না সমস্ত আমেরিকাতে দ্বিতীয় কোথায় এই স্বাদের গ্রীল আপনি পাবেন না। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে চাই। এটা আমার নিজস্ব রেসিপি এবং নিজস্ব স্পাইসি। আমি বাংলাদেশে একসময় এটার খুবই ফ্যান ছিলাম যেটা প্রায়ই আমরা গ্রীল খেতাম। আপনারা জানেন যে স্টার কাবাবে গ্রীল একেবারে খুবই জনপ্রিয়। দেখা যাচ্ছে ওই গ্রিলটা খাওয়ার জন্য অনেকসময় আমরা লাইন দিয়েও ওটা আমরা পেতাম না। আমার খুব ইচ্ছা ছিলো যে আমি এটা আমি করবো। আল্লাহর রহমতে সেটা করতে সক্ষম হয়েছি। এখন আমার রেষ্টুরেন্টে এই গ্রীল আইটেম। পাশাপাশি আপনারা জানেন যে, বাচ্চাদের জন্য বাবল ট্রি জুস এগুলো শুরু করেছি। চটপটি।

প্রশ্নঃ আপনি তো প্রথম ফুড কোড জাজ ই আমাদের কমিউনিটিতে শুরু করলেন। একই ছাদের তলে অনেক দেশের খাবার অনেক সংস্কৃতির খাবার। যেমন আমি সুফলাকে দেখি। তারপর এখানে শর্মা দেখি। তারপর আমাদের বিরিয়ানি দেখি। লাউ চিংড়ি দেখি। কাবাব দেখি। টার্কিস কাবাব দেখি। তো এই যে কনসেপ্টটা, এটার ব্যাপারে যদি আপনি কিছু বলেন?

খলিলুর রহমান ঃ ধন্যবাদ নাজমুল ভাই আপনাকে। আসলে আপনি দেখেন আমরা একই পরিবারের ধরেন ৫ জন। একই জায়গায় খেতে গেলে আমি একধরনের রান্নার চাহিদা। কারণ এখানে কিন্তু বিশেষ করে আমেরিকাতে নিজস্ব সিদ্ধান্ত সবাই চলে। যার যার নিজস্ব মতে কিন্তু খাবারটা অর্ডার করে। একই ফ্যামিলিতে আমি যখন দেখা যাচ্ছে আমার ফ্যামিলি নিয়ে এক জায়গায় বসছি। তখন কিন্তু আমি একটা চয়েস করি আমার বাচ্চা আরেকটা চয়েজ করে, আমার মেয়ে একটা চয়েজ করে আমার ওয়াইফ একটা চয়েজ করে। এতে করে দেখা যাচ্ছে অনেক সময় অনেক রেষ্টুরেন্টে কিন্তু আমরা পরিপূণ খাবারটা পাই না। আমি যে ধরনের খাবারটা চাচ্ছি সেটা হয়তো আছে।

প্রশ্ন: ফ্যামিলির খাবারটা। একটা ফ্যামিলি অনেক রুচির খাবার চাইতে পারে। চাহিদা থাকতে পারে?

খলিলুর রহমান ঃ সেই কিন্তু একটা গ্যাপ থেকে যায়। এসব কিছু চিন্তা করে আমি দীর্ঘদিন এই রেস্টুরেন্ট পেশায় থাকার পরে আমার ভিতরে যে এক্সপিরিয়েন্সটা তৈরি হয়েছে তার আলোকে কিন্তু আমার ফুড কোডটা। আমার এখানে আসলে আমার যে কোনো একটা ব্রাঞ্চে আসার পরে কোনো এক জায়গায় বসলে কাস্টমার এর চাহিদা মত ফুড কিন্তু আমার দিতে পারি। চাইনিজ, বিরিয়ানী, বাংলাদেশী, পিজ্জা, গ্রীল, আবার আইসক্রিম, ফুচকা, চটপটি, বার্গার। যেটা খুশি। আমাদের এখানে কিন্তু সব ধরনের খাবার আছে। যদি কেউ আমেরিকান খেতে চায়।

প্রশ্ন: সেটাই আপনার ফুড কোডের কনসেপ্ট?

খলিলুর রহমান ঃ হ্যা। এর জন্য আমার ভ্যরি সুন আমরা এটাকে যখন ফিউশন করবো। তখন এটার নাম থাকবে খলিল ফিউশন। আমরা সুন্দর করে আমাদের মেনু গুলো একটা জায়গায় নিয়ে এসে আমরা সবার কাছে প্রকাশ করবো।

প্রশ্ন: এইবার আমার আরেকটা প্রশ্ন। শেষ প্রশ্ন যদি বলি। খলিলের যে রান্না সেই কোয়ালিটিটা আপনি কিভাবে রক্ষা করেন ? এই কোয়ালিটির ব্যাপারটা খুবই ইমপরটেন্ট?

খলিলুর রহমান ঃ আমি এই কোয়ালিটিটা সিউর করি আমি একটা জায়গায় বসে কন্টোল করি। বিশেষ করে আমি আমার হেড ব্রাঞ্চ ব্রঙ্কসে বসে আমার খাবারের টোটাল কনসেপ্ট, কোথায় কি রান্না হবে আগামীকাল এগুলো সব পরিচালনা করি আমি একটা জায়গায় বসে। এবং আমার স্পাইসি, আমার রেসিপি সবকিছু কিন্তু আমি আমার নিজের দ্বারায় কন্টোল করি এবং শেয়ার করি। আমার সঙ্গে যারা কাজ করে, প্রায়ই আমার এখন টোটাল ৪টা কিচেনে আমার টোটাল কাজ করে ৪৫জন। শুধু কিচেনে। এর ভিতরে প্রায় ১০/১২ জন শেফ আছে, সহকারী শেফ আছে, তান্দুরী শেফ আছে, সব মিলে তাদেকে নিয়েই দেখা যাচ্ছে কিন্তু আমার প্রতিদিনের কাজ। আমি রান্না এখন করিনা এটা সত্য, কিন্তু আমি সবাইকে দিয়ে রান্না করাই।

প্রশ্ন: মাঝে মধ্যে কি একদমই রান্না করেন না?

খলিলুর রহমান ঃ অবশ্যই। এরকম হবেই। আমি রান্না না করলে প্রতিদিন আমার নিজের কাছে অস্বস্থি লাগে। কারণ দেখা যাচ্ছে একজন কাজের মানুষ কাজ ছাড়া কিন্তু থাকতে পারে না। আমার প্রতিদিনের কোনো না কোনো রান্নায়তো আমি থাকি। কিন্তু দেখা যাচ্ছে অনেকের ধারণা আমি হয়তো রান্না করিই না, না আমি প্রত্যেকটা রান্নার সাথেই, যতগুলো খাবার আছে কোনোটাই আমার নলেজের বাইরে না। তো এটাই হলো আমার কনসেপ্ট। কারণ হলো একদিন তো আমার টোটাল রেষ্টুরেন্ট মিলে প্রতিদিন ১০০ আইটেম হচ্ছে। একজন যদি রান্না করে ব্যক্তি খলিল কয়টা রান্না দিতে পারবো এবং কয়জন কাস্টমারের সার্ভিস দিতে পারবো। ক্যাটারিং প্লাস ইনডোর কাস্টমার দিয়ে আমরা প্রতিদিন মিনিমাম ১০০০ কাস্টমার এর সাথে আছি। তো ১০০০ কাস্টমারের খাবার তো আমার একা রান্না করা সম্ভব না। আমার দ্বারা পরিচালিত হতে পারে, একজন ভালো পরিচালক কিন্তু একটা ভালো কিছু করতে পারে।

নাজমুল হাসান ঃ তার মানে আপনি সব সময় মেইক শিউর করেন কোয়ালিটিটা যাতে কম্পোমাইজ না হয়।

খলিলুর রহমান ঃ আমার একটা কনসেপ্ট আছে। একটা থিউরি আছে। আমার একটা ফর্মুলা আছে। আমার একটা রেসিপিও আছে। এর মাধ্যমেই কিন্তু দেখা যাচ্ছে সব কিছু হচ্ছে।

প্রশ্ন: এবার শেষ প্রশ্ন। আপনি অনেক দূর এগিয়েছেন এই খলিল বিরিয়ানী হাউজ প্রতিষ্ঠার পর থেকে। আমাদের কমিউনিটির খাবার খাওয়ার অভ্যাসটাও কিছুটা পরিবর্তন করেছেন। মানুষ আগে হয়তোবা এভাবে বিরিয়ানী খাওয়ার আগ্রহি ছিলো না। কিন্তু খলিল বিরিয়ানী হাউজ চালু হওয়ার পর প্রচুর মানুষ এই বিরিয়ানীর স্বাদ নিয়েছেন। আপনি বাংলাদেশী খাবার সর্ম্পকে আপনার এখানে বিপুল পরিমাণ আমি লক্ষ্য করেছি দেওয়ালে প্রচুর বিদেশীরাও খেয়েছে। তাদের বক্তব্যটা কি? তারা খাওয়ার পর তাদের মন্তব্যটা কি?

খলিলুর রহমান ঃ ধন্যবাদ নাজমুল ভাই। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন একটা কথা বললেন। আমি আপনারা শুনে খুব আনন্দিত এবং গর্বিত হবেন যে একমাত্র খলিল বিরিয়ানী সিটির সার্টিফাইড রেষ্টুরেন্ট অথেনটিক বাংলাদেশী রেষ্টুরেন্ট হিসেবে স্বীকৃত একটা রেষ্টুরেন্ট। MWE যে সার্টিফাইড আমার আছে তাতে কিন্তু লেখা আছে অথেনটিক বাংলাদেশী ফুড।

বাংলাদেশী ফুড অত্যন্ত সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যসম্মত। যদি যেটা পরিবেশন করা যায়। এটা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছি খলিল বিরিয়ানীর মাধ্যমে। আমরা অনেক রেষ্টুরেন্ট আছি, রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী আছি, রেস্টুরেন্টের শেফ আছি যারা ইন্ডিয়ান ফুড বলে আমাদের ফুড চালাচ্ছি। আমাদের নিজস্ব পুজিং নাই আমাদের নিজস্ব ফুড নাই আমরা ইন্ডিয়ার একটা অংশ বিশেষ। তো আমরা যদি আমাদের রেষ্টুরেন্ট গুলো বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট হিসেবে পরিচালনা করি এবং আমাদের দেশের সুস্বাদু খাবারগুলোকে যদি তুলে নিয়ে আসতে পারি তাহলে একদিন ইতিহাসের পাতায় বাংলাদেশের ফুড সেরা ফুড হবে সেদিন বেশি দূরে নয়। তো সেই লক্ষ্যে আমি কাজ করছি। আমি বাংলাদেশে, আপনারা জানেন বাংলাদেশে এখন শেফ এর বিষয়ে অনেকে আগ্রহী, অনেক ছেলেমেয়েরা এখন তাদের পেশা হিসেবে শেফ পেশা নিচ্ছে। একসময় শেফের পেমা হিসেবে কিউ আাসতে চায়তো না। হসপেলিটি ম্যানেজমেন্টে পড়তে চাইতো না। হোটেল ম্যানেজমেন্টে কেউ আসতে চাইতো না। কিন্তু এখন এটাকে ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারের মত এটাও পেশা হিসেবে নিচ্ছে। এটা খুবই আনন্দের। খুবই গর্বের।

আমি বাংলাদেশ শেফ ফেডারেশনের সাথে কাজ করছি। যে বাংলাদেশী ফুডটাকে তুলে ধরার জন্য। ইনশাল্লাহ তারা অত্যন্ত আগ্রহের সাথে নিচ্ছে। একদিন দেখবেন যে আমাদের ফুড পাঠ্যপুস্তকে উঠবে ভ্যরি সুন। পাশাপাশি আমেরিকাতে না সারা পৃথিবীতে সেরা ফুডে পরিণত হবে। যেমন আমি উদাহরন দেই। সরুপ নেপালী মমো, এটা কিন্তু এখন সারা পৃথিবীতে নন্দিত। চাইনিজ নুডুলস, থাই সুপ অনেক ধরনের কাবার আছে। মালেশিয়ান নাছিগরি এরকম বহু খাবার আছে যে গুলো যেমন জাপানি সুচি। এভাবেই দেখা যাচ্ছে ইতালিয়ান ফাস্তা। এভাবে প্রত্যেকটা জায়গার কিন্তু কিছু বেস্ট ফুড আছে। আমেরিকার দেখা যাচ্ছে ফাস্টফুড। স্যান্ডুয়েজ বার্গার। এগুলো যেমন নন্দিত এবং সর্বজন গৃহিত। বাংলাদেশী স্টিট ফুডও কিন্তু এরকমই। বাংলাদেশী স্ট্রিট ফুড বেরি ক্লোজ টু ইন্ডিয়া। ইন্ডিয়ার কলকাতার ফুডের সাথে আমাদের অনেক মিল আছে। তার মানে এটা না যে, দেখা যাচ্ছে প্রার্থক্য অনেক। ব্যাপক প্রার্থক্য আছে মসলার। রান্নার এবং কালচারের। এটাকে তুলে ধরতে পারলে।

প্রশ্ন: পরিবেশনের ক্ষেত্রেও তো প্রার্থক্য আছে।

খলিলুর রহমান ঃ এটাকে যদি আমরা ভালোভাবে আমরা তুলে ধরতে পারি। তাহলে বাংলাদেশী ফুডটাকে সেরা ফুড হবে। বলার অবকাশ রাখে না।

প্রশ্ন: ধন্যবাদ খলিল ভাই। ভালো থাকবেন। আশা করি আপনার সকল প্রচেষ্টা সফল হবে।

খলিলুর রহমান ঃ ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার সাথে সুন্দর একটা সময় কাটালাম। আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আমরা যেন আমাদের বাস্তবতাকে তুলে ধরতে পারি। এটাই প্রত্যাশা থাকবে আপনাদের মাধ্যমে।

শেয়ার করুন