নিউইয়র্ক     রবিবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ  | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পুরস্কার পেলেন ড. গোলাম মুরশিদ, মুজিব ইরম ও ‘অন্বয় প্রকাশ’ \ নতুন কনভেনর ড. আব্দুর নূর

‘বই হোক বিশ্ব বাঙালীর মিলন সেতু’ শ্লোগানে অনুষ্ঠিত হলো ৩১তম নিউইয়র্ক বইমেলা

পরিচয় ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২২ | ০৫:০৬ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ০৪ আগস্ট ২০২২ | ০৬:০২ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
‘বই হোক বিশ্ব বাঙালীর মিলন সেতু’ শ্লোগানে অনুষ্ঠিত হলো ৩১তম নিউইয়র্ক বইমেলা

‘বই হোক বিশ্ব বাঙালীর মিলন সেতু’ শ্লোগান নিয়ে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো ৩১তম নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা। মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে জ্যামাইকা পারফর্মিং আট সেন্টারে ব্যতিক্রমী আয়োজনে চারদিনব্যাপী বইমেলা চলে বৃহস্পতিবার থেকে রোববার পর্যন্ত অর্থাৎ ২৮ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই। বৃহস্পতিবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় মেলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি কলকাতার বিশিষ্ট লেখক ও কথা সাহিত্যিক অমর মিত্র। এসময় মেলা কমিটির আহŸয়ক গোলাম ফারুক ভূইয়া, আয়োজক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারপার্সন ফেরদৌস সাজেদীন সহ মেলা কমিটি ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে গত ২৭ জুলাই বুধবার সন্ধ্যায় আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বইমেলা সম্পর্কে আয়োজক কমিটি ও অতিথিবৃন্দ বিস্তারিত তুলে ধরেন। এই সভা পরিচালনা করেন মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক বিশ্বজিৎ সাহা।

এবারের মেলায় শহীদ কাদরী গ্রন্থ পুরষ্কার-২০২২ লাভ করেন ‘দেশী কবিতা’ গ্রন্থের জন্য মুজিব ইরম, মুক্তধারা-জিএফবি সাহিত্য পুরষ্কার-২০২২ লাখ করেন অধ্যাপক ড. গোলাম মোর্শেদ এবং চিত্তরঞ্জন সাহা সেরা পুরষ্কার-২০২২ লাখ করে ঢাকার অন্বয় প্রকাশ। মেলায় আগামী বছর অর্থাৎ ৩২তম বইমেলার কনভেনর মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবীদ ও লেখক ড. আব্দুর নূর। খবর ইউএনএ’র।

এদিকে অন্যান্যবারের মতো এবারের মেলায়ও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে লেখক-সাহিত্যিকেরা যোগ দিচ্ছেন। কোভিড-উত্তর এই বইমেলার অনুষ্ঠান চলে অপরাহ্ন থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত। অয়োজনকরা জানান, এবারের বইমেলায় মুহম্মদ নূরুল হুদা, শাহাদুজ্জামান, আসাদ মান্নান ও লুৎফর রহমান রিটনসহ রেকর্ডসংখ্যক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ যোগ দেন। মেলায় প্রতিদিনই ছিলো সাহিত্যের অনুষ্ঠান ছাড়াও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী অধ্যাপক ড. রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, অস্ট্রেলিয়া থেকে অধ্যাপক ড. নীরা রহমান, লন্ডন থেকে নাহিদ নাজিয়া সহ আরো অনেক শিল্পী সংগীত পরিবেশন করেন।

বইমেলার আহŸায়ক গোলাম ফারুক ভূইয়া জানান, এবারের মেলার সকল ক্ষেত্রে ‘বই’-কে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। যেমন মেলায় বইয়ের স্টল ছাড়া শাড়ী-কাপড়ের স্টল ছিলো না। নতুন বই সহ অন্যান্য বইয়ের উপর আলোচনা ছিলো বেশী। মেলায় ছিলো না কোন প্রবেশ মূল্য।
মুক্তধারা নিউইয়র্ক, ঘুংঘুরসহ আমেরিকা থেকে ৮টি প্রকাশনা সংস্থার স্টল ছিলো এবারের বইমেলায়। ঢাকার প্রকাশনাগুলোর মধ্যে ছিলো: অঙ্কুর, অন্বয়, অনন্য, আকাশ, অ্যাডর্ন, ইত্যাদি, কথাপ্রকাশ, কবি, কাকলী, নালন্দা, প্রথমা, বাতিঘর, সময় ও স্বদেশ শৈলী।
মেলার প্রথম দিন

মেলার প্রথমদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে জ্যামাইকা পারফর্মিং আট সেন্টার ক্যাম্পাসে ঢাকা-ঢোল পিটিয়ে একগুচ্ছ বেলুন উড়িয়ে ও ফিতা কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন কলকাতার কথা সাহিত্যিক অমর মিত্র। এসময় দেশ-বিদেশ ও প্রবাসের কবি-সাতিহ্যিক এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এরপর মূল মঞ্চে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মেলার আহŸায়ক গোলাম ফারুক শাহীন। পরবর্তীতে ৩১তম মেলা উপলক্ষ্যে ৩১টি প্রদীপ প্রজ্জলন করা হয়। এরপর উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন অমর মিত্র। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন ফেরদৌস সাজেদীন, কবি আসাদ মান্নান, বাংলাদেশ কনস্যুলেটের ভারপ্রাপ্ত কনসাল জেনারেল এস এম নাজমুল হাসান, ছড়াকার লুৎফর রহমান রিটন, অনন্যা প্রকাশনীর মনিরুল ইসলাম, একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রবাসী লেখক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. নূরুন নবী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিবেশন করে বাংলাদেশ পারফর্মিং আর্ট-বিপা।
পরবর্তীতে খানিকটা বিরতীর পর উদ্বোধনী নৃত্য পরিবেশন করেন অনুপ দাস ড্যান্স একাডেমী (আড্ডা)-এর শিল্পীরা। এদিন মেলায় প্রবাসের দুই বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘মুক্তধারা সম্মাননা’ করা হয়। এরা হলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবীদ ড. নজরুল ইসলাম ও বিশিষ্ট শিল্পপতি সৈয়দ জাকি হোসাইন। উভয়ের হাতে ক্রেষ্ট তুলে দেন এবং উত্তরীয় পড়িয়ে দেন ড. নূরুন নবী, আর ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নেন সাংবাদিক নিনি ওয়াহিদ।

উদ্বোধনী বক্তব্যে কথা সাহিত্যিক অমর মিত্র বলেন, বই-ই পারে সকল ভেদাভেদ, দেয়াল আর বর্ডার ভাঙতে। বাংলা ভাষা আর বাংলাদেশ বা কলকাতা কেন্দ্রীক নয়, বাংলা ভাষা আজ আন্তর্জাতিক ভাষার মর্যাদা পেয়েছে। ফলে বিশ্বব্যাপী যেখানেই বাঙালী রয়েছে সেখানেই বইমেলা হচ্ছে। বইমেলা সকল বাংলা ভাষা-ভাষীকে সেতুবন্ধনে আবদ্ধ করেছে। তিনি বলেন, আমরা বাংলা ভাষার মানুষ বাঙালীরা কোন বিভেদ-বিভক্তি চাইনি, আমরা কোন বর্ডার চাইনি। কিন্তু রাজনীতি আর রাজনীতিকরা আমাদেকে পৃথক করে দিয়েছে। আমাদেরকে বিভক্ত করেছে। কিন্তু বাংলা ভাষা, বাংলা বই আর বইমেলা আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ করেছে। এটা কোন রাজনীতি বা রাজনীতিক বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না।

বইমেলা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন আলোচনায় বক্তারা বলেন, আমরা আমাদের দেশে-বিদেশে বইমেলার আয়োজন করে সময় পার করে দিচ্ছি। বিশ্বের যেখানে বাঙালী রয়েছে সেখানেই বইমেলার আয়োজন হচ্ছে। কিন্তু এসব মেলায় আমাদের নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহন হতাশাজনক। বইমেলায় আমাদের নতুন প্রজন্ম কোথায়? আর এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামীতে কি বিদেশে বইমেলার আয়োজন হবে, কে করবে এই আয়োজন? এখনই এসব ভাবতে হবে। নতুন প্রজন্মকে তাদের মতো করে বইমেলায় সম্পৃক্ত করতে হবে।
মেলার দ্বিতীয় দিন

নিউইয়র্ক বইমেলার দ্বিতীয় দিনে শুক্রবার বইপ্রেমী প্রবাসীদের ভীড় ছিলো লক্ষ্যনীয়। জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্ট সেন্টারের খোলা ক্যাম্পসে এদিন অপরাহ্ন থেকে বইয়ের স্টলগুলোতে ধীরে ধীরে প্রবাসীদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। পাশাপাশি বাড়তে থাকে আড্ডা। প্রবাসী লেখকরাও ঢাকার প্রকাশকদের ষ্টলে বসে আড্ডা দিয়ে সময় কাটান। মেলায় নতুন নতুন বইয়ের সমাহার ছিলো লক্ষণীয়। এদিকে সন্ধ্যায় মূল মিলনাতনে চলে কবিতা লেখার অভিজ্ঞতা, লেখক-প্রকাশ মুখোমুখী, বিদ্রোহী কবিতার ১০০ বছর, বইমেলা দেশে-বিদেশে কিভাবে লিখতে এলাম, আমরা যাঁদের হারিয়েছি, বইমেলা দেশে-বিদেশে শীর্ষক আলোচনা, আর সঙ্গীত। আলোচনায় অংশ নেন উদ্বোধক অমর মিত্র ছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি আসাদ মান্নান সহ বাংলাদেশ, কলকাতা, অষ্ট্রেলিয়া, সুইডেন, কানাডা ও জার্মানী থেকে আগত অতিথি আর নিউইয়র্কের কবি-সাহিত্যিকগণ। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রখ্যাত রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পী অধ্যাপক ড. রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। এদিন শহীদ কাদরী গ্রন্থ পুরষ্কার-২০২১ ঘোষণা করা হয়।
মেলার তৃতীয় দিন

জ্যামাইকা সেন্টার ফর আর্টস লার্নি-এ আয়োজিত মেলার তৃতীয় দিন শনিবার। এদিন ছুৃটির দিন থাকায় বইমেলায় তিল ধরণের জায়গা ছিলনা। আড্ডা, লেখালেখি, ছড়া নিয়ে আয়োজন, স্বরচিত কবিতা পাঠ, নতুন বই, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সাহিত্য : দুই বাংলার অভিমুখ, অনুবাদের ভাষা, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নাটক ‘রাক্ষুসী’, বিতর্ক কি এবং কেনো, অভিবাসী লেখকদের গ্রন্থে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, নতুন প্রজন্মের পরিবেশনা প্রভৃতি অনুষ্ঠান ছাড়াও শবনম আবেদীর গান শ্রোতাদের গভীর রাত পর্যন্ত মুগ্ধ করে। এদিন একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সঙ্গীত শিল্পী শবনম আবেদী। মঞ্চস্থ হয় নিউইয়র্ক ঢাকা ড্রামার প্রযোজনা কাজী নজরুল ইসলামের ছোট গল্প অবলম্বনে নাটক “রাক্ষুসী”। এর নাট্যরূপ ও নির্দেশনায় ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী শিরীন বকুল।

এদিন ঘোষিত হয় মুক্তধারা-জিএফবি সাহিত্য পুরষ্কার-২০২২। জ্যামাইকা সেন্টার ফর আর্ট এন্ড লার্নিং মঞ্চে ছুটির দিনে উপচে পড়া দর্শক-শ্রোতাদের উপস্থিতিতে ঘোষিত হয় এই পুরস্কারের কথা। এবছর এই পুরস্কার পেলেন বাংলা ভাষা-সাহিত্যের শক্তিমান গবেষক, লন্ডন প্রবাসী লেখক অধ্যাপক ড. গোলাম মুরশিদ। এই পুরস্কারের অর্থমান ৩০০০ ইউএস ডলার। মেলার মূলমঞ্চে এই পুরষ্কারের কথা ঘোষণা করেন মেলার আহŸায়ক গোলাম ফারুক ভূঁইয়া ও অধ্যাপক ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে কবি নির্মলেন্দু গুণকে প্রদাণের মাধ্যমে ঐ বছর প্রথম ফাউন্ডেশন ‘ মুক্তধারা-জিএফবি সাহিত্য পুরষ্কার’ প্রবর্তন করে। এরপর শামসুজ্জামান খান, অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ, দিলারা হাশেম, সেলিনা হোসেন ও সমরেশ মজুমদার এ পুরস্কারে ভূষিত হন। এ বছর পেলেন অধ্যাপক গোলাম মুরশিদ। উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ড. গোলাম মুরশিদ নিউইয়র্ক বাংলা বইমেলা উদ্বোধন করেন।
১৯৪০ সালের ৮ এপ্রিল বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুরা গ্রামে ড. গোলাম মুরশিদ জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ করেছেন। তার প্রথম কর্মজীবন ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এরপর প্রায় দু’দশক তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে অধ্যাপনা করেন। ১৯৮৪ সালের জানুয়ারী থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত তিনি লন্ডনে বিবিসি’র বাংলা বিভাগে কাজ করেছেন। এ ছাড়া ১৯৯১ সাল থেকে লন্ডনে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন।

ড. গোলাম মুরশিদের উল্লেখযোগ্য গবেষণা গ্রন্থের মধ্যে আছে- আশার ছলনে ভুলি, রাসসুন্দরী থেকে রোকেয়া : নারী প্রগতির একশো বছর, বিবর্তনমূলক বাংলা অভিধান, সংকোচের বিহ্বলতা, সমাজ সংস্কার আন্দোলন ও বাংলা নাটক, রবীন্দ্রবিশ্বে পূর্ববঙ্গ পূর্ববঙ্গে রবীন্দ্রচর্চা, স্বাধীনতা সংগ্রামের সাংস্কৃতিক পটভূমি, হাজার বছরের বাঙালী সংস্কৃতি, বিলেতে বাঙালীর ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও তারপর : একটি নির্দলীয় ইতিহাস, বিদ্রোহী রণক্লান্ত প্রভৃতি। সাহিত্য গষেণায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ১৯৮২ সালে বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন। ২০০৭ সালে পান প্রথম আলো বইমেলা পুরষ্কার, ২০১৮ সালে পান ‘আইএফআইসি সাহিত্য পুরষ্কার। ২০১৮ সালে পান একুশে পদক।
মেলার চতুর্থ ও শেষ দিন

মেলার চতুর্থ ও শেষ দিন রোববার ছিলো আড্ডা, কবিতালাপ, প্রকাশনায় ‘পরিবেশ বনাম অর্থনীতি’ বিষয়ক বিতর্ক, স্মৃতি কথা, সাহিত্য ও সুরের মৈত্রী : বানী প্রধান বাংলা গান ও আমার অভিবাসী বাঙালিয়ানা, নতুন বই, কেন লিখি, লেখক পাঠক মুখোমুখি প্রভৃতি বিষয়ক আলোচনা। এদিন একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন অধ্যাপক ড. নিরুপমা রহমান। এদিন চিত্তরঞ্জন সাহা সেরা প্রকাশনা সংস্থা পুরষ্কার-২০২২ ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন তার জাতিসংঘের সফর উপলক্ষ্যে নিউইয়র্ক আসলে এদিন তিনি বই মেলায় আসেন এবং বিভিন্ন বুক স্টল ঘুরে দেখার পাশাপাশি প্রবাসীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। মেলায় যোগ দেন ওয়াশিংটন ডিসিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম।
এদিন বই মেলায় শ্রেষ্ঠ প্রকাশনীর পুরস্কার লাভ করে ঢাকার ‘অন্বয় প্রকাশ’। এর স্বত্তাধিকারী মতলবের শিকিরচর গ্রামের সন্তান খ্যাতিমান শিশু সাহিত্যিক এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংস্কৃতিক উপ-কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবীর ঢালী।

 

 

 

শেয়ার করুন