নিউইয়র্ক     শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ  | ১১ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

ফেব্রুয়ারির পর রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফোনালাপ

পরিচয় ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ জুলাই ২০২২ | ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ০১ আগস্ট ২০২২ | ১২:০৪ অপরাহ্ণ

ফলো করুন-
ফেব্রুয়ারির পর রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রথম সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফোনালাপ

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে ফোনালাপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। ওয়াশিংটনের তরফ থেকে অনুরোধ আসার পরই এই ফোনালাপ হয়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এরপর দুই দেশের সর্বোচ্চ কূটনীতিকের মধ্যে এটিই প্রথম কোনো আলোচনা। ফোনালাপে তারা ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করেন। এ খবর দিয়েছে আরটি।

খবরে জানানো হয়, শুধু যুদ্ধ পরিস্থিতিই নয় আরও বেশ কিছু যুদ্ধ সম্পর্কিত ইস্যুতেও আলোচনা করেছেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এরমধ্যে আছে গত সপ্তাহে তুরস্কে স্বাক্ষর হওয়া ‘গ্রেইন ডিল’ এবং দুই দেশের মধ্যে বন্দি বিনিময়। শুক্রবার ব্লিঙ্কেন জানান, রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি খোলাখুলি ও সরাসরি আলোচনা করেছেন। রাশিয়ায় আটক দুই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক মুক্তি দেয়ার ব্যাপারে তাকে চাপ দেয়া হয়েছে। রাশিয়ায় আটক থাকা দুই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হলেন ব্রিটনি গ্রিনার এবং পল হুইলান।

৩১ বছর বয়সী ব্রিটনি বাস্কেটবল খেলোয়াড়।
গত ফেব্রুয়ারিতে গ্রেপ্তারের সময় তার কাছে গাঁজার তেল পাওয়ার দাবি করইছল রাশিয়া। জুলাইয়ের শুরুর দিকে মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। তবে ব্রিটনির দাবি, ব্যথা নিরাময়ের জন্য ঔষধি গাঁজা ব্যবহার করেছেন তিনি। রাশিয়ার আইন লঙ্ঘনের কোনো ইচ্ছা তার ছিল না। এর আগে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ২০১৮ সাল থেকে রাশিয়ায় বন্দি রয়েছেন পল হুইলান। দুই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকের মুক্তির বিনিময়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়া রুশ অস্ত্র পাচারকারী ভিক্টর বাউটকে মুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১২ সালে তাকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ম্যানহাটান ফেডারেল কোর্ট। যদিও এ ধরণের প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি মস্কো।
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ তার যুক্তরাষ্ট্রের সমকক্ষকে বলেন, ইউক্রেনে পশ্চিমা দেশগুলো যে অস্ত্র পাঠাচ্ছে তা শুধু সংঘাতকে দীর্ঘই করবে এবং মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়াবে। রুশ বাহিনী ইউক্রেনে কঠিনভাবে আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলছে।

শেয়ার করুন