নিউইয়র্ক     বুধবার, ৪ঠা অক্টোবর, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ  | ১৯শে আশ্বিন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খেজুর খাওয়া কি ভালো?

পরিচয় ডেস্ক

প্রকাশ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ০৩:০১ পূর্বাহ্ণ | আপডেট: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ০৩:০১ পূর্বাহ্ণ

ফলো করুন-
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে খেজুর খাওয়া কি ভালো?

স্বাস্থ্যকর খাবারের মধ্যে অন্যতম খেজুর। এই ফল শক্তি, খনিজ এবং ভিটামিনের একটি দুর্দান্ত উৎস। খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার রয়েছে, যা হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। খেজুর এমন এক ধরনের ফল যেটাকে কোলেস্টেরল-বান্ধব খাবার হিসেবে উপেক্ষা করা হয়। কিন্তু সত্যিটা হলো খেজুর রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে দারুণ সহায়ক। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ডায়টেরি ফাইবার দুটিই কোলেস্টেরল কমানোর জন্য উপকারী। খেজুর কীভাবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে জন্য উপকারী তা জানানো হয়েছে ‘বোল্ড স্কাইয়ে’র এক প্রতিবেদনে।

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস: খেজুরে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেমন- পলিফেনল, ফ্ল্যাভোনয়েড এবং ক্যারোটিনয়েড রয়েছে। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলি এলডিএল কোলেস্টেরলের অক্সিডেশন রোধ করে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। যার ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

ডায়াটরি ফাইবারের উৎস: খেজুর ডায়েটরি ফাইবারের একটি বড় উৎস। এই ধরনের ফাইবার পিত্ত অ্যাসিডের সাথে যুক্ত হয়ে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

কোলেস্টেরলের জন্য কোন খেজুর ভালো : মেডজুল খেজুরে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার খারাপ কোলেস্টেরল কমানোর জন্য সবচেয়ে উপকারী। এই ফাইবার খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা রোধ করে রক্ত প্রবাহে শোষিত হতে বাধা দেয়।

খেজুরের অন্যান্য উপকারিতা : কোলেস্টেরল কমানোর বৈশিষ্ট্য ছাড়াও, খেজুর শরীরের প্রয়োজনীয় খনিজ এবং ভিটামিনের একটি দুর্দান্ত উৎস। খেজুর ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন এবং ভিটামিন বি ৬ সমৃদ্ধ ফল। এই সব পুষ্টি সামগ্রিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

দিনে কয়টি খেজুর খেতে পারেন? : গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত খেজুর খেলে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রতিদিন কতগুলি খেজুর খাওয়া উচিত তা একেকজনের ব্যক্তিগত চাহিদার উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে। তবে একবারে অনেক খেজুর না খাওয়াই ভালো। কারণ খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা বেশি পরিমাণে খেলে হজমের সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে ডায়েটে কতগুলি খেজুর অন্তর্ভুক্ত করবেন তা নিয়ে খাদ্য বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করতে পারেন।

শেয়ার করুন